এক মন্দিরের পুরহিতের মেয়েকে বিয়ে করলের তামিলনাড়ুর বিধায়ক। আর তাই নিয়ে শুরু হয়ে গেছে তোলপাড়। পাত্রীর বাবা এই বিয়ে মানতে না পেরে আত্যহত্যার চেষ্টাও করেছে। পাত্রীর বাবার অভিযোগ বিধায়ক প্রভাব খাটিয়ে তাঁর মেয়েকে অপরহণ করে জোর করে বিয়ে করেছে। যদিও সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বিধায়ক।  বিষয়টি গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। শুক্রবার মাদ্রাজ হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি হবে। 

তামালনাড়ুর ক্ষমতাসীন দল এআইএডিএমকে-র দলিত বিধায়ক এ প্রভুর বিয়ে করেন কল্লাকুরিরি মন্দিরের পুরোহিত স্বামীনাথকের মেয়ে ১৯ বছরের সৌন্দর্যকে। আর অসমবর্ণের এই বিয়ে ঘিরেই তোলপাড় তামিল নাড়ুর রাজ্যরাজনীতি। বিয়ের পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেন প্রভু। সেখানে তিনি পাত্রীর পরিবারের তোলা অভিযোগ উড়িয়ে দেন। স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন তিনি কাউকে অপরহণ বা জোর করে বিয়ে করেননি। তাঁদের মধ্যে গত চার মাস ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্ককে স্বীকৃতি দিতেই বিবাহ সূত্রে আবদ্ধ হয়েছেন তাঁরা। এই কথা জানিয়েছেন সদ্যোবিহাদিত সৌন্দর্য। পাশাপাশি প্রভু আরও জানিয়েছেন বিয়ের আগে একাধিকবার তাঁর পরিবার আর দলের সদ্যরা বিয়ের জন্য স্বামীনাথনের থাকে অনুমতি চেয়েছিল। কিন্তু তাতে গ্রাহ্য করা হয়নি। পাল্টা অপমান করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন লকডাউনের সময়ই তাঁদের মধ্য়ে সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। 

মেয়ের বিয়ে মেনে নিতে না পেরে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন মন্দিরের পুরোহিত। কিন্তু তাতে তিনি সফল হননি। পাশাপাশি অপরহণ করার অভিযোগ থেকেও সরে আসেননি। তাঁর মেয়ে অভিযোগ করছেন অসবর্ণ বিয়ে মেনে নিতে পারেননি তাঁর মন্দিরের পুরোহিত বাবা। কিন্তু পুরোহিত জানিয়েছেন, অসবর্ণ বিবাহ তিনি মানতে পারছেন না এমনটা নয়। বয়সের কারণেই এই বিয়ে তিনি মেনে নেবেন না। পাশাপাশি জানিয়েছেন তাঁর মেয়ে যখন নাবালিকা ছিল তখন থেকেই এই সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর মেয়েকে প্রলুব্ধ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।