এক জন বা দুজন নয়, করোনা-যুদ্ধে শহিদ হয়েছেন দেশের ৫০০ জন চিকিৎসক। এঁরা সকলেই অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসক জানিয়েছে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। একই সঙ্গে শহিদ চিকিৎসক পরিবারগুলিকে ক্ষতিপুরণ দেওয়ার জন্যেও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দরবার করেছেন তাঁরা। 

গত মার্চ মাস থেকেই করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নেমেছে দেশ। প্রথম দিন জনতা কার্ফু ডেকেই মারাত্মক ছোঁয়াছে জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২৫ মার্চ সকাল থেকে জনতা কার্ফুর পর বিকেল পাঁচটায় নরেন্দ্র মোদীর আর্জিতে সাড়া দিয়ে গোটা দেশ করোনা-যোদ্ধা হিসেবে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বরণ করে নিয়েছিল। আর সেই করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে লকডাউনের ১৯০ দিনে এসে প্রাণ দিলেন দেশের ৫০০ জন চিকিৎসক। 

ইন্ডিয়ার মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে তাদের হাতে আসা সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায় এখনও পর্যন্ত কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে দেশের ৫১৫ জন চিকিৎসক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। সারা দেশে আইএমএ- ১হাজার ৭৪৬টি শাখা রয়েছে। তাই সংস্থাটা আরও বেশি হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। চিকিৎসকদের এই সংগঠনের হাতে থাকা তথ্য অনুযায়ী দেশে চিকিৎসক আর রোগী অনুপান ১: ১৯৪। আর করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত চিকিৎসকদের তালিকায় রয়েছে থাকা ২০১ চিকিৎসকের বয়স ৬০-৭০ এর মধ্যে। ৫০ জন চিকিৎসকের বয়েল ৫০ বছরের মধ্যে। আর মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করে মাত্র ৩৫ বছরেই প্রাণ হারিয়েছেন ১৮ জন চিকিৎসক। মৃতের তালিকায় ৭০ বছরের বেশি বয়সে মৃত্যু হয়েছে ৬৬ জন চিকিৎসকের। তবে কেন্দ্রীয় সরকার আগেই জানিয়ে দিয়েছিল অধিকাংশ হাসপাতাল রাজ্যের অধীনে থাকায় তাদের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য নেই। তবে কেন্দ্রীয় সরকার আগেই জানিয়েছিল ফ্রন্ট লাইন স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ৫০ লক্ষ টাকা করে বিমান ব্যবস্থা করেছে।