কোভাক্সিন কোনও গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই কোভিড-১৯'র বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। ভারতের প্রথম দেশিয় টিকাটির প্রথম ধাপের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হল ল্যান্সেট ইনফেকটেড ডিজিজ জার্নালে (Lancet Infectious Disease Journal)। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ (ICMR) এবং পুণ্যের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি (NIV)-র সহযোগিতায় ভারত বায়োটেক (Bharat Biotech) সংস্থা এই টিকাটি তৈরি করেছে। ভারত সরকার কোভিশিল্ডের পাশাপাশি এই কোভিড টিকা-টিকেও জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে।

তবে এই নিয়ে সাধারণ মানুষ থেকে ভ্যাকসিন বিশেষজ্ঞ সকলেই উদ্বিগ্ন। কারণ ভ্যাকসিনটিকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে তৃতীয় ধাপের ক্লিনিকাল ট্রায়াল চলাকালীনই। তবে কোভ্যাক্সিন বা কোডনাম অনুসারে বিবিভি ১৫২ (BBV 152) টিকাটি প্রথম ধাপের ক্লিনিকাল ট্রায়ালে সব ডোজ-গোষ্ঠীই ভালভাবে সহ্য করতে পেরেছে, এমনটাই বলা হয়েছে ল্যান্সেটের নিবন্ধে। এর আগে গত ডিসেম্বর মাসে একই ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছিল প্রিপ্রিন্ট সার্ভার মেডিআরসিভ-এ (medRxiv)-এ। গবেষণাটি ভারত বায়োটেক সংস্থার পক্ষ থেকেই করা হয়েছে। নয়া নিবন্ধে টিকাটির সুরক্ষা এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে প্রকাশ্যে আর কোনও নতুন তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

আরও পড়ুন - কলকাতায় আসার আগেই মোদীর বাংলায় টুইট, বঙ্গের ভাই-বোনদের কী বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আরও পড়ুন - কানে জড়িয়ে দেওয়া হল জ্বলন্ত টায়ার, পুড়ে মৃত্যু হাতির, ক্যামেরায় ধরা পড়ল চরম অমানবিকতা, দেখুন

আরও পড়ুন - ট্র্যাক্টর মিছিলে ৪ কৃষক নেতাকে খুনের ছক, দিল্লির সিংঘু সীমান্তে ধরা পড়ল মুখোশধারী

ল্যান্সেট ইনফেকটেড ডিজিজ জার্নালে প্রকাশিত নিবন্ধে জানানো হয়েছে, টিকাটির সব প্রতিকূল প্রভাবই হালকা এবং মাঝারি মানের, গুরুতর কিছু নয়। প্রতিকূল প্রতিক্রিয়াগুলি বেশি দেখা গিয়েছে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়ার পরই। একটিই মাত্র বিরূপ ঘটনা ঘটেছে। তবে তার সঙ্গে ভ্যাকসিনের কোনও সম্পর্ক ছিল না বলেই দাবি করেছেন গবেষকরা। কোভ্যাক্সিনের এই প্রথম ট্রায়াল পর্বটি ভারত ব্যাপী ১১ টি হাসপাতালে চলছিল। অংশগ্রহণকারীরা ছিলেন ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী এবং প্রত্যেকেই ছিলেন সুস্বাস্থ্যের অধিকারী।