কেরলের পর ছত্তীসগড়ে দু’দিনে দুটি হাতির মৃত্যু তাদের একটি অন্তঃসত্ত্বা হস্তিনী এবং অন্যটি পুরুষ হাতিতবে হাতি দুটির মৃত্যুর কারন এখনও সঠিক জানা যায়নিপ্রতাপপুর জঙ্গলের দুটি পৃথক জায়গা থেকে দেহ উদ্ধার হয়েছে

কেরলের পর ছত্তীসগড়ে। ফের অন্তঃসত্ত্বা হস্তিনীর মৃত্যুর ঘটনা এবার ছত্তীসগড়ে। দুদিনে দুটি হাতির মৃত্যু হয়েছে সুরজপুর জেলার প্রতাপপুর জঙ্গলে। তবে হাতি দুটির মৃত্যুর কারন এখনও জানা যায়নি। প্রতাপপুর ফরেস্ট রেঞ্জ সূত্রে খবর, একটি অন্তঃসত্ত্বা হস্তিনী এবং অন্যটি পুরুষ হাতি। দুটি পৃথক জায়গা থেকে দুটি হাতির দেহ উদ্ধার হয়েছে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

জানা গিয়েছে, অন্তঃসত্ত্বা হস্তিনীর মৃত্যু হয়েছে কার্ডিও ভাসকুলার ফেলইওরের ফলে। তার শরীরে বেশ কয়েকটি সিস্ট ছিল বলে অনুমান ফরেস্ট রেঞ্জের অফিসারদের। সঠিক কারণে জানা যাবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরে। তবে বুধবার বিকেলে যে পুরুষ হাতিটির মৃত্যু হয়েছে সেটি বয়সজনিত কারণ বলেই মনে করছেন তাঁরা।

কয়েকদিন আগে উত্তর কেরালার মালাপ্পুরম জেলায় আনারসের মধ্যে বিস্ফোরক রেখে মারা হয়েছিল একটি অন্তঃসত্ত্বা হস্তিনীকে। সেই ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় নিন্দায়র ঝড় উঠেছিল। ওই ঘটনায় একজন গ্রেফতারও হয়। সেই ঘটনার রেস মিলিয়ে যাওয়ার আগেই একইভাবে এক হস্তিনীর মৃত্যু সেই কেরলে। 

সেই ঘটনা কোল্লাম জেলার এক বনাঞ্চলের। ময়না তদন্তে জানা গিয়েছে, বিস্ফোরক কিছু মুখে ফেটে যাওয়াতে সেই হাতির চোয়াল ভেঙে যায়। জখম অবস্থায় হাতিটিকে পাঠানাপুরম জঙ্গলে উদ্ধার করা হয়। অত্যন্ত দুর্বল থাকার জন্য তাকে ওষুধ দিয়ে শুশ্রূষা করার চেষ্টা হয়েছিল। ওই অবস্থায় সে আরও কয়েক কিলোমিটার হাঁটাচলা করেছিল। তারপরেই মৃত্যু হয় তার। 

 জানা গিয়েছে,গত কয়েক বছরে মানুষের আক্রমণে এই ফরেস্ট রেঞ্জে বেশ কয়েকটি হাতির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই দুটি হাতির দেহ যেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে সেই দুটি জায়গা হাতিদের স্বাভাবিক বিচরণের জায়গা নয়। ফলে কী ভাবে ওই এলাকাগুলিতে বুনো হাতি দুটি এল তাও খতিয়ে দেখছেন বনকর্তারা। তাঁদের বক্তব্য, বুনো হাতিদের স্বাভাবিক নিয়ম হচ্ছে তারা দল বেঁধে থাকে। তাঁদের অনুমান মৃত দুটি হাতিই দলছুট হয়ে পড়েছিল।

কেরলের মালাপ্পুরম জেলায় হাতির মৃত্যুর ঘটনায় একজন গ্রেফতারও হলেও ছত্তীসগড়ের ঘটনায় তেমন কোনও সম্ভবনা নেই বলেই মনে করছেন বন দফতরের আধিকারিকরা।