গোষ্ঠী সংক্রমণ হয়নি ভারতে ভারত বিরাট দেশ সংক্রমণের হার খুব কমআশ্বাস দিল কেন্দ্রীয় সরকার

বেশ কয়েক দিন ধরেই ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। আক্রান্তের সংখ্যা আড়াই লাখের বেশি। ইতিমধ্যেই ভারত পিছনে ফেলে দিয়েছে ইতালি ফ্রান্সের মত দেশগুলিকে। করোনাভাইরাস আক্রান্ত দেশের ক্রম তালিকায় ভারতের স্থান ষষ্ঠ। সামনে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, রাশিয়া, ব্রিটেন আর স্পেন। এই পরিস্থিতিতে দাড়িয়ে অধিকাংশ মানুষই মনে করেছিলেন মহামারী গোষ্ঠী সংক্রণের আকার নিয়েছে। কিন্তু বৃহস্পতিবার আশ্বাস দিল কেন্দ্রীয় সরকার। বেশকয়েক দিন পর সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দেওয়া হল এখনও গোষ্ঠী সংক্রমণের পর্যায় উন্নীত হয়নি করোনা মহামারী। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred
Scroll to load tweet…


 ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, ভারত একটি বিশাল দেশ। কিন্তু এখানে প্রাদুর্ভাবের গতি খুব ধীর। পাশাপাশি আইসিএমআর-এর ডিজি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বলরাম ভার্গব জানিয়েছেন, ভারতে মহামারী এখনও গোষ্ঠী সংক্রমণের পর্যায়ে পৌঁছায়নি। আইসিএম আরএর সঙ্গে বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নীতি আয়োগ, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের আধিকারিকরাও। 

'টার্গেট বাংলা' বণিক সভার মিটিংও কলাকাতার প্রসঙ্গ, তিন 'পি'তে জোর দিলেন মোদী ...
বেশ কয়েক দিন ধরেই দিল্লি ও মুম্বইতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু তাতে আমল না দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, ১৫টি জেলায় সমীক্ষা চালিয়ে জানা গেছে, জনসংখ্যার ০.৭৩ শতাংশ মানুষ সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার ইতিহাস রয়েছে। যার আর্থ লকডাউন সফল হয়েছে। তিনি আরও বলেন, শহরাঞ্চলে করোনা সংক্রনণের প্রাদুর্ভাব কিছুটা বেশি হলেও গ্রামে এর প্রকোপ খুবই কম। পাশাপাশি ছোট জেলাগুলিতেও করোনার প্রকোপ কম। পাশাপাশি তিনি বলেন সংক্রমণ রুখতে পরীক্ষার পাশাপাশি ট্রেসিং আর ট্র্যাকিং করাও খুব জরুরি। কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থাও চালু রাখতে হবে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গোষ্ঠী সংক্রমণের তেমন কোনও সংজ্ঞা দেয়নি। যার ওপর ভিত্তি করে বলা যাবে দেশ গোষ্ঠী সংক্রমণ পর্যায় উন্নীত হয়েছে। 

করোনা সংকটের মাঝেই লেকের জল হল গোলাপি, ৫০ হাজার বছর আগে উল্কার আঘাতে তৈরি হয়েছিল হ্রদ ...

তবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ তৃতীয় পর্যায়ে বা গোষ্ঠী সংক্রমণের পৌঁছেছে কিনা তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিবাদ শুরু হয়েছে। এইমস-এর চিকিৎসক রণদীপ গুলেরিয়ে আগেই বলেছিলেন দিল্লিতে ইতিমধ্যেই গোষ্ঠী সংক্রমণ হয়ে গেছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার সেটা মানতে চাইছে না। কিছু একই মতামত দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর কথায় আগামী দিনের জন্য দিল্লিতে হাসপাতালের পরিকাঠামো আরও বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। দিল্লি সরকার সেইমত পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। সোমবারই দিল্লির স্বাস্থ্য মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন বলেছিলেন, প্রচুর মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। কিন্তু তাঁদের কোনও উৎস সন্ধান পাওয়া যায়নি। 

কংগ্রেসের রিসর্ট রাজনীতি রাজস্থানে, বিধায়ক কিনতে নাকি '২৫ কোটি'র প্রস্তাব বিজেপির ..

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে লব আগরওয়াল জানিয়েছেন রাজ্যগুলি থেকে পাওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই করোনা আক্রান্তের মৃতের সংখ্যা নির্ধারণ করে কেন্দ্র। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৪৯.২১ শতাংশ করোনা আক্রান্ত।