সুরাট অগ্নিকাণ্ডে তদন্তের ফলে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, অনুমতি ছাড়াই ছাদের ওপর ঢাকা দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল ওই কোচিং সেন্টার। ছাত্রছাত্রীদের বসার জায়গাগুলি তৈরি করা হয়েছিল পরিত্যক্ত টায়ার দিয়ে, যা দাহ্য ফ্লেক্স জাতীয় বস্তু দিয়ে তৈরি৷ ৫ ফুট উঁচু ছাদে ছিল না কোনও অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থাও। ফলে বিভৎসভাবে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২২ জন ছাত্রছাত্রীর। আতঙ্কে ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। 

পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে, সুরাটের ওই বহুতলটি কার্যত ছিল মৃত্যুফাঁদ। জানা গিয়েছে, অনুমতি ছাড়াই বেআইনি নির্মাণ করা হয়েছে ওই বহুতলে। তার অতিরিক্ত দু'টি ফ্লোর তৈরি হয়েছিল একেবারে বেআইনিভাবেই৷ ওই বহুতলে ঢোকা ও বেরনোর দরজা ছিল মাত্র একটি। ঘটনার জেরে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে কোচিং সেন্টার মালিক ভার্গব বুটানি-কে। খোঁজ চলছে বহুতলের মালিকেরও।

মর্মান্তিক এই অগ্নিকাণ্ডের জেরে টুইট করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী-সহ বহু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও। মৃতের আত্মার শান্তি কামনা করেছেন অমিতাভ বচ্চনও। মৃতের পরিবারকে চার লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য প্রদানের করা হবে বলে জানিয়েছে গুজরাত সরকার। পাশাপাশি, পুরসভার তরফে শহরের বিপদজ্জনক বহুতলগুলিকা সনাক্ত করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে শহরের ৯৩৯৫টি বহুতলের অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে পুরসভা।