বিয়ের দিন স্ত্রী ঋতুমতী ছিলেনতা আগে থেকে জানাননিতাই বিবাহ বিচ্ছেদ চাইলেন স্বামীতাঁর আরও অভিযোগ ১০ জন পরপুরুষের সঙ্গে সহবাসের হুমকি দিয়েছিলেন স্ত্রী

ভারতবর্ষে গত বেশ কয়েক বছর ধরে মহিলা সংগঠন এবং বিভিন্ন সমাজকর্মীরা বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঋতুস্রাব সংক্রান্ত কুসংসংস্কার, ঘৃণা দূর করার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও, দেশ যে তিমিরে ছিল, সেই তিমিরেই রয়ে গিয়েছে। তা আরও একবার প্রমাণ হয়ে গেল খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্য গুজরাতের এক মর্মস্পর্শী ঘটনায়। ভদোদরা জেলায় বিয়ের দিন এক মহিলা ঋতুমতী হওয়ায় তাঁর স্বামী তাঁর কাছ থেকে বিবাহ বিচ্ছেদ চেয়েছেন বলে অভিযোগ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

জানা গিয়েছে গত জানুয়ারি মাসে তাঁদের বিয়ে হয়েছিল। স্বামীর অভিযোগ, বিয়ের দিন থেকেই তাঁদের বিশ্বাসভঙ্গ করেছেন তাঁদের স্ত্রী। কীভাবে? তিনি জানিয়েছেন, বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ করে প্রার্থনার জন্য তাঁরা যখন এক মন্দিরে গিয়েছিলেন, সেই সময়ে তাঁর স্ত্রী প্রথম তাঁকে জানান যে তাঁর ঋতুস্রাব হয়েচে। এতে করে তিনি ও তাঁর মা নাকি হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন ওই ব্যক্তি। অথচ তাঁরা যে অশিক্ষিত তা নয়। ওই মহিলা একজন শিক্ষিকা আর তাঁর স্বামী বেসরকারী সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মচারী। আগে থেকে ঋতুমতী হওয়ার কথা না জানানোতেই তিনি পারিবারিক আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন দায়ের করেছেন।

এই প্রধান অভিযোগের পাশাপাশি ওই ব্যক্তি তাঁর আবেদনে আরও দাবি করেছেন, পারিবারিক খরচের জন্য তাঁকে অর্থ না দেওয়ার জন্য চাপ দিতেন তাঁর স্ত্রী। প্রতি মাসে হাতখরচের জন্য ৫০০০ টাকা করে চেয়েছিলেন স্বামীর কাছে। তাঁর আরও দাবি ছিল, তাঁদের ঘরে একটি এয়ার কন্ডিশনার যন্ত্র বসাতে হবে। এই এসি বসানো নিয়ে ঝগড়া করে স্ত্রী তাঁর বাপের বাড়িও চলে গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেইসঙ্গে ওই ব্যক্তির অভিযোগ করেছে যে স্ত্রী তাঁকে বলেছিলেন, যদি তিনি জানতেন তাঁর স্বামী তাঁর খরচ বহন করতে পারবে না, তাহলে বিয়ের রাতেই অন্তত ১০ জন পরপুরুষের সঙ্গে সহবাস করতেন। এরসঙ্গে সঙ্গে ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার হুমকিও দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন স্বামী।