রবিবার বিহারে ছিল অমিত শাহ-এর ভার্চুয়াল সমাবেশযা কার্যত ছিল বিহারের বিধানসভা ভোটের প্রচারসভাসেখানে উঠল পরিযায়ী শ্রমিকদের কথাকেন অনেকেই হেঁটে ফিরেছেন, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 

রবিবার বিহারে বিজেপির ভার্চুয়াল সভায় বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দাবি করলেন পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরাতে সব ব্যবস্থাই করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। তাঁদের শ্রদ্ধা জানিয়েই তাঁদের বাড়ি ফেরার ট্রেনগুলির নাম দেওয়া হয়েছিল 'শ্রমিক ট্রেন'। কিন্তু, তারপরেও বহু সংখ্যক পরিযায়ী শ্রমিককে কেন হেঁটে বাড়ি ফিরতে হল? নানাভাবে বাড়ি ফিরতে গিয়ে কেন শয়ে শয়ে শ্রমিকের রক্তে রাঙা হল ভারতের রাজপথ? কী বললেন অমিত শাহ?

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এদিন ভার্চুয়াল সভায় অমিত শাহ দাবি করেছেন এই ভার্চুয়াল সমাবেশ কোনও নির্বাচনী বা রাজনৈতিক সমাবেশ নয়, এটা কোভিড-১৯ মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দেশের মানুষকে একত্রিত করার সমাবেশ। তবে, তাঁর বক্তৃতা শুনলে যে কেউ বলে দেবে এর মধ্য দিয়েই বিহারের বিধানসভা ভোটের প্রচার শুরু হল বিজেপি-র। আর সেই ভোটে একটা বড় বিষয় হতে চলেছে পরিযায়ী শ্রমিক। বিহার থেকে প্রচুর সংখ্যক শ্রমিক দিল্লি, মুম্বই-সহ বারতের বিভিন্ন জায়গায় যান কাজ করতে। এই বিষয়টি নিয়ে নিয়মিত রাজ্যের নীতিশ কুমার সরকার ও কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে বিঁধছে বিরোধী দল আরজেডি।

কাজেই অমিত শাহ-কে এই প্রসঙ্গ তুলতেই হত। এদিন তিনি দাবি করেন, মোদী সরকারে পক্ষ থেকে ১ মে থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরানোর জন্যই শ্রমিক ট্রেন চালানো হয়েছিল। তাদের নিরাপদে বাড়ি ফেরার সমস্ত ব্যবস্থা করা হয়েছিল। লকডাউনের একেবারে শুরু থেকে এই কাজ করা যায়নি, কারণ রাজ্যগুলো ব্যস্ত ছিল কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্র স্থাপন করতে। মোদী সরকার প্রায় ১.২৫ কোটি পরিযায়ী শ্রমিককে নিরাপদে তাদের বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে।

তারপরেও কিছু কিছু শ্রমিক হাঁটতে শুরু করেছিল। অমিত শষাহ-এর মতে রাস্তায় যে সকল পরিযায়ী শ্রমিককে দেখে সারা ভারত ব্যথা পেয়েছে তাঁরা ধৈর্য রাখতে পারেননি, সাই হাঁটতে শুরু করেছিলেন। বিষয়টি সরকারের নজরে আসতেই রেল স্টেশনে আনার জন্য বাস মোতায়েন করা হয়েছিল। রেলের ভাড়ার ৮৫ শতাংশ ব্যয় যে কেন্দ্রীয় সরকার এবং ১৫ শতাংশ রাজ্য সরকার বহন করেছিল তাও প্রচার করতে ভোলেননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে যেটা বলেননি, তা হল, সরকার এই ব্যয় বহন করতে শুরু করেছে এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেওয়ার পর।