শুক্রবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী লাদাখে যাবেন এমনটাই জানত দেশের সংবাদমাধ্যম। যদিও সেই সফর শেষমুহুর্তে বাতিল করা হয়। তবে সবচেয়ে বড় চমক তখনও অপেক্ষা করছিল। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর জায়গায় সবাইকে অবাক করে দিয়ে লাদাখে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী। শুক্রবার সকালে লাদাখের লে বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে করে মোদী যান ১১ হাজার ফুট উঁচুতে থাকা নিমুতে। সেখানেই সেনকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। এর মাঝেই প্রধানমন্ত্রীকে দেখা যায় সিন্ধু দর্শন পুজো করতে।

 

১৫ জুন গালওয়ান উপত্যকায় চিনা ও ভারতীয় সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের পর থেকে দুই দেশের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে সেনা পর্যায়ের বৈঠক হলেও সমাধান সূত্র কিছুই বের হয়নি। উল্টে সীমান্তে সেনার সংখ্যা বাড়িয়ে চলেছে চিন। এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর এই লাদাখ সফর তাই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।

 

নিমুতে সেনা, বায়ুসেনা এবং আইটিবিপি-র জওয়ানদের সঙ্গে কথা বলেন মোদী। সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ লেহ-তে পৌঁছন। এরপরেই ১১ হাজার ফুট উচুঁতে অবস্থিত নিমুতে সেনা আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

সেনার মোনবল বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সাম্রাজ্যবাদের প্রসঙ্গ তুলে শুক্রবার চিনকেও হুঁশিয়ারি দেন প্রধানমন্ত্রী। জানা যাচ্ছে বৃহস্পতিবার রাতে লাদাখ যাওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করেন মোদী। এরপরেই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল বিষয়টি নিয়ে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াতের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরআগে ২০১৭ সালে ডোকলামে চিনের আগ্রাসন রোখার বিষয়েও এই তিন মাথাই স্ট্র্যাটেজি সাজিয়েছিলেন।