সোনা কেলেঙ্কারীর ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়ল কেরলের বাম সরকার। এই মামলার অন্যতম আসামি সন্দীপ নায়ারের স্ত্রী সৌম্যা, শুল্ক বিভাগের কাছে দাবি করেছেন, কোড়োভালির এলডিএফ বিধায়ক কারাত রজাক এবং তার আত্মীয় তথা কোজিকোড জেলার কোদোভালি পৌরসভায় এলডিএফ কাউন্সিলর কারাত ফয়জল-এর হয়েই সোনা পাচার করত  সন্দীপ এবং অপর আসামি রমিজ কেটি।

সূত্রের খবর, স্বপ্না সুরেশ ও রমিজ কেটি সহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পুলিশ চিহ্নিত করেছে এই সৌম্যার দেওয়া বক্তব্যের ভিত্তিতেই। কাজেই, তিনি এই মামলার বিষয়ে অনেক অজানা তথ্যই জানেন বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে বিজেপির রাজ্য সভাপতি কে সুরেন্দ্রন-ও সোনার চোরাচালান মামলায় কারাত রজাক জড়িত আছেন বলে অভিযোগ করেছিলেন। সৌম্যার বক্তব্যের পর তিনি বলেছেন, তাঁর সন্দেহই ,সত্যি প্রমাণিত হয়েছে। তাঁর অভিযোগ সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সবটাই জানেন। সোনা চোরাচালানের মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সিপিএম রাজ্য সদর দফতর - সবাই জড়িত বলে দাবি করেছেন তিনি।

তবে সোমবার কারাত রজাক সোনা চোরাচালানের ক্ষেত্রে তাঁর কোনও ভূমিকার বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। সিপিএম নেতার দাবি, তিনি এই মামলায় জড়িত কোনও ব্যক্তিকে চেনেনই না, কখনও তাদের সঙ্গে দেখাও হয়নি। তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বহলে তাঁর সন্দেহ। ২০১৬ সালের  বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই মুসলিম লিগ থেকে বামফ্রন্টে যোগ দিয়েছিলেন রজাক। তাঁর দাবি মামলার তদন্ত ঠিকঠাক হলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও ডাকা হবে না। ষড়যন্ত্র হয়ে থাকলেই তাঁর ডাক পড়বে।