রবিবার আরও কমল ভারতের দৈনিক নতুন কোভিড সংক্রমণের সংখ্যা। এদিন সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্ত্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় দেশে ৪৬,৯৬৩ জন নতুন করোনা রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। সব মিলিয়ে এদিন ভারতের মোট কোভিড রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮১,৮৪,০৮২-এ। এর মধ্যে চিকিৎসাধীন ৫,৭০,৪৫৮ জন, আর সুস্থ হয়ে গিয়েছেন ৪,৯১,৫১৩ জন। রবিবার নিয়ে টানা তিনদিন সক্রিয় কোভিড কেসের সংখ্যা ৬ লক্ষের নিচে রয়েছে। যা বড় অগ্রগতি বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রকের আপডেট অনুসারে, গত ২৪ ঘন্টায় কোভিড জনিত কারণে মৃত্য়ু হয়েছে ৪৭০ জনের। সব মিলিয়ে ভারতে কোভিডে মৃত্য়ুর সংখ্যা পৌঁছেছে ১,২২,১১১-তে। তবে অক্টোবরে মাসে দৈনিক কোভিড রোগীর সংখ্যাই শুধু কমেছে তাই নয়, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দাবি দেশে মৃত্যুর হার-ও এই সময়ে ১.৫ শতাংশের নিচে নেমে গিয়েছে। আর প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে খুব নিচের স্তরে, বর্তমানে ৮৮।

তবে চিন্তা রয়েছে দেশের ২৩ টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে নিয়ে। কারণ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের হিসাব অনুযায়ী এই রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় কোভিড মৃত্যুর হার জাতীয় গড়ের তুলনায় কম। এখন পর্যন্ত ভারতের মোট কোভিড-মৃত্যুর ৬৫ শতাংশই রেকর্ড করা হয়েছে পাঁচটি রাজ্যে। মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ, দিল্লি, পঞ্জাব, গুজরাত এবং মধ্যপ্রদেশ - ভারতের মোট কোভিড মৃত্যুর ৮৫ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে এই দশটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে। ভারতের কোভিড-১৯'এ মৃত্যুর হার যে এতটা কম তার কারণ কেন্দ্রের এই মহামারি নিয়ন্ত্রণের কৌশল। 'টেস্ট, ট্রেস, ট্র্যাক এবং ট্রিট'  -  এই কার্যকর নিয়ন্ত্রণের কৌশলেই মহামারিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা গিয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।