গত ২৪ ঘন্টায় ভারতে নতুন করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ল ৬২,২১২ জন। আর এই সময় কালে করোনা জনিত কারণে মৃত্যু হল ৮৩৭ জনের। সব মিলিয়ে শনিবার সকালে ভারতের মোট করোনাভাইরাস মামলার সংখ্যা ৭৪ লক্ষ চাপিয়ে গেল। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রকের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী ভারতের মোট করোনভাইরাস রোগীর সংখ্যা বর্তমানে ৭৪,৩২,১৮১ জন। আর কোভিডে মোট মৃত্য়ু হয়েছে ১,১২,৯৯৮ জনের। ৭৪ লক্ষাধিক করোনা রোগীর মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবশ্য ৭,৯৫,০৮৭ জন। আর সুস্থ হয়ে গিয়েছেন ৬৫,২৪,৫৯৬ জন।

শুক্রবার সকালে দৈনিক নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬৩,৩৭১ জন, বৃহস্পতিবার ৬৭,৭০৮ জন, বুধবার ৬৩,৫০৯ জন।  অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে ধীরে ধীরে প্রকোপ কমছে মহামারির। সংক্রমণ আর আগের মতো ধারালো নয়।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক এদিন জানিয়েছে, বিশ্বের মধ্যে যে দেশগুলিতে কোভিড মৃত্যুর হার সবচেয়ে কম, তার মধ্যে ভারত একটি। প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় কতজনের কোভিডে মৃত্যু হয়েছে, তা হিসাব করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে। ভারতে গত ৪ অক্টোবরের পর আর একদিনও দৈনিক মৃত্যুর হার এক হাজারেরও উপরে যায়নি। এটা কেন্দ্রীয় সরকারের কোভিড মোকাবিলার জন্য নেওয়া পদক্ষেপেরই ফসল বলে দাবি করা হয়েছে। বর্তমানে ভারতে মাত্র ১.৫২ শতাংশ রোগীর মৃত্যু হচ্ছে কোভিড জনিত কারণে। ২২ মার্চের পর থেকে এই পরিসংখ্যান এখন সর্বনিম্ন বলে জানিয়েছে মন্ত্রক।

তবে শীত ও উত্সব মরসুম নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রকও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন বলেছেন, শীতের এবং উত্সব মরসুমের কারণে পরের আড়াই মাস করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। সংক্রমণের বিস্তার আটকাতে কোভিড-১৯ মহামারির সময়ের উপযুক্ত আচরণ অনুসরণ করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। কিন্তু, ১২০ কোটির দেশে উৎসবের সময় সেই দায়িত্ব তাঁরা কতটা পালন করবেন, তাই নিয়ে গভীর চিন্তিত চিকিৎসক মহল।