ধর্ষণের পরও মেলেনি রেহাই। সেই ধর্ষণ কাণ্ড ধামাচাপা দিতে জোর করে গর্ভপাত-ও করানো হয় নির্যাতিতার। এমনই গুরুতর অপরাধের ঘটনা ঘটেছে উত্তর প্রদেশের বুলন্দশহর জেলায়। এই ঘটনায় দোষী সন্দেহে ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সবচেয়ে আশ্চর্যের এবং লজ্জার তার মধ্য়ে একজন মহিলা ডাক্তার-ও রয়েছেন।  

পুলিশ জানিয়েছে, ওই নির্যাতিতা মহিলা অভিযোগ, ঘটনাটি ঘটে ২০১৯ সালে। ওই বছর নভেম্বর মাসে বুলন্দশহরেরই খুরজা দেহাত এলাকায় এক কাকিমার বাড়িতে গিয়েছিলেন ওই মহিলা। সেখানে সুযোগ পেতেই তাঁর কাকিমার ভাগ্নে এবং তার বন্ধুরা মিলে তাকে ওই বাড়িতে তাঁকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছিল। ওই অত্যাচারের ফলে তিনি গর্ভবতী হয়ে পড়েন।

কুকীর্তি ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়ে এরপর সেই কাকিমার বোনের ছেলে পরে তাকে গর্ভপাত করতেও বাধ্য করেন। পুলিশকে নির্যাতিতা জানিয়েছেন গর্ভবতী হওয়ার পরে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি তাঁকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তাই বলেই চলতি বছরের ২৯ জুন ভাটওয়ারায় নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিল নির্যাতিতা-কে। পরে অভিযুক্ত ও তার সহযোগীরা মিলে ওই মহিলাকে গর্ভপাত করতে বাধ্য করেছিল। আর তাতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন ওই মহিলা ডাক্তার। নিজে একজন মহিলা এবং ডাক্তার হয়েও, সে কীকরে এই বর্বরোচিত কাজে জড়িয়ে পড়ল, সেটাই এই মামলায় সকলকে বিস্মিত করেছে।