পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও সেনাপ্রধান কামার জাভেদ বাজওয়ার এই মুহূর্তে চিন সফরে রয়েছেন। আর ঠিক সেই সময়ই  চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর ভারত সফরের কথা  ঘোষণা হল। এতে স্বাভাবিকভাবেই চাপে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। চিন সফরে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে সওয়াল করেও পাক প্রধানমন্ত্রী খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। জিনপিংয়ের ভারত সফরের আগেই চিনা প্রশাসনের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কাশ্মীর দ্বিপাক্ষিক বিষয়। এই সমস্যার সমাধান ভারত ও পাকিস্তানকে আলোচনার মাধ্যমেই করতে হবে। 

১১ অক্টোবর চেন্নাইয়ে আসছেন জিনপিং। সেখানেই ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ঘরোয়া বৈঠক করবেন বলে এক বিবৃতিতে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে। মামাল্লাপুরম শহরে সমুদ্র ঘেঁষা একটি মন্দিরে মোদির সঙ্গে জিনপিংয়ের এই বৈঠক হওয়ার কথা। দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে ভারত ও চিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি বিশ্ব রাজনীতিতে নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।  তবে মোদী-জিনপিংয়ের  বৈঠকে কোনও চুক্তি, মউচুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করা হচ্ছে। 

ভারত ও চিনের মধ্যে কিছু দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। এই বিষয়ে মোদী -জিনপিং আলোচনা করবেন বলে জানা গিয়েছে। জিনপিংয়ের সঙ্গে চিনা বিদেশমন্ত্রী ও পলিটব্যুরোর কয়েকজন সদস্য আসবেন। মামাল্লাপুরমের বৈঠকে  কোনও চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলেও পারস্পরিক সমঝোতা বাড়ানোর জন্য মোদী চেষ্টা করবেন বলেই মনে করা হচ্ছে।  ভারত ও চিন সীমান্তে কীভাবে  শান্তি বজায় রাখার বিষয়ে দুই রাষ্ট্রনেতার আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

মোদি  জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে সন্ত্রাসবাদ, সন্ত্রাস তহবিলে অর্থ যোগান, সন্ত্রাসে সাহায্যকারীদের কীভাবে রোখা যায়, সেই প্রসঙ্গে আলোচনা করতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। দুই রাষ্ট্রনেতা ভারত ও চিনের প্রতিনিধিদের পরবর্তী বৈঠকের দিন আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করবেন বলে জানা গিয়েছে।