বরাবরই তিনি মুসলিম বিরোধী হিসেবেই পরিচিত। কিন্তু দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর নরেন্দ্র মোদী 'সবকা সাথ সবকা বিকাশ'-এর মন্ত্রের সঙ্গে জুড়েছেন 'সবকা বিশ্বাস'-ও। আর সেই মন্ত্রেই ভাবমূর্তি বদল করতে চাইছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যমাথ। শুধু তাই নয়, এদিন তিনি দাবি করেন, তাঁর আমলেই উত্তরপ্রদেশের মুসলিমরা সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেয়েছেন।

এদিন তিনি বলেন, উত্তরপ্রদেশে ২৫ লক্ষ ঘর করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, তার সবটাই হিন্দুদের জন্য তা নয়। উত্তরপ্রদেশে ১৮ শতাংশ মুসলিম রয়েছে। কিন্তু, গরীবদের জন্য তৈরি ঘরের ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশই পেয়েছেন মুসলিমরা। এরসকারণ উত্তরপ্রদেশে দরীদ্র মুসলিমের সংখ্যাই বেশি। তাদের সুবিধা দরকার বলেই দেওয়া হয়েছে। ধর্ম দেখএ নয়, প্রয়োজন দেখেই তাঁদের ঘর দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, তাঁর সরকার, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও হিন্দু-মুসলমান বেদাভেদ করেন না। সরকারি প্রকল্পের সুবিধা যাতে সবার কাছেই সমানভাবে যায়, তারই চেষ্টা করা হয়। তাঁর দাবি ২০১৪ সালে প্রথমবার প্রপধানমন্ত্রী হও.য়ার পর মোদী যে 'সবকা সাথ সবকা বিকাশট-এর স্লোগান দিয়েছিলেন তা উত্তরপ্রদেশে আর স্লোগানে আটকে নেই, বাস্তবে পরিণত হয়েছে।

সেইসঙ্গে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন হিন্দুদের সঙ্গে তাঁর যএরকম সম্পর্ক, রাজ্যের মুসলিম জনগণের সঙ্গেও তাঁর একই রকম সম্পর্ক। জাত ধর্মের ভিত্তিতে তাঁরা সমাজকে ভাগ করেন না বলেও দাবি করেছেন যোদী আদিত্যনাথ।

তবে, খুব বেশিদিন আগের কথা নয়, ২০১৯ লোকসভা ভোটের প্রচারপর্বেই প্রকাশ্য সভায় তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল 'আলি'র বিরুদ্ধে তাঁদের 'বজরঙ্গবলী' আছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন পরিস্থিতি বিচার করেই তিনি ওই কথা বলেছিলেন। কিন্তু রাজ্যে সাম্প্রদায়িকতা, দাঙ্গা-হাঙ্গামা একেবারেই বরদাস্ত করা হয়না বলে তিনি দাবি করেছএন। অথচ পেহলু খান থেকে আবরেজ আনসারি - বারেবারেই উত্তরপ্রদেশে মুসলিমদের উপর গণহিংসা নেমে এসেছে।