করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ক্রমশই ভারী পা ফেলছে ভারতীয় অর্থনীতি। সংক্রমণ মোকাবিলায় জারি করা হয়েছে লকডাউন। অবস্থায় গত ২ মাস ধরে প্রায় স্তব্ধ জনজীবন। শিকেই উঠতে চলছে ব্যবসা। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানিয়েছেন জোমোটের প্রতিষ্ঠাতা ও কর্নধার দীপেন্দ্র গোয়েল। সংস্থার কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি একটি সার্কুলার জারি করেছেন। 

কী রয়েছে সেই সার্কুলারে? খাদ্য সরবরাহকারী সংস্থা জোমাটোর প্রধান জানিয়েছেন গত দুমাস ধরে ব্যবসায় অনেক পরিবর্তন এসেছে। এরমধ্যে কিছু পরিবর্তন দীর্ঘ দিনের জন্য স্থায়ী হবে। আগামী দিনেও কিছু পরিবর্তন আসবে। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে কর্মীদের পর্যাপ্ত কাজের সুযোগ কমছে এই সংস্থায়। পাশাপাশি তিনি লিখেছেন, তাঁদের সংস্থার সকল কর্মী এই চ্যালেঞ্জ নিয়েই কাজ করেছে। কিন্তু পরিস্থিতি অনুকূল হওয়ায় সকল কর্মীকে একসঙ্গে নিয়ে পথ চলা সম্ভব নয়। ১৩ শতাংশ কর্মীকে ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন দীপেন্দ্র গোয়েল। যার অর্থ চরম এই আর্থিক সংকটের সময় এক ধাক্কায় প্রায় ৫০০ কর্মী কাজ হারাতে চলেছে। 

আরও পড়ুনঃ অভিবসী শ্রমিকরা কেন রাস্তায়, সেই সিদ্ধান্ত রাজ্যকেই নিতে দিন, লক্ষ্য করা অসম্ভব বলল সুপ্রিম কোর্ট ..

আরও পড়ুনঃ করোনা সংকট মোকাবিলায় অভিবাসী শ্রমিক ও শহরের দরিদ্রের পাশে বিশ্ব ব্যাঙ্ক, বিপুল অর্থ সাহায্য ভারতকে ...

সংস্থার প্রধানের এই সার্কুলারের শেষের দিকে বলা হয়েছে, সংস্থা যেসমস্ত কর্মীকে নিয়ে আগামী দিনে পথ চলা হবে তাঁরা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি জুম কল পাবেন।  আর যেসমস্ত কর্মীদের বরখাস্ত করা হবে তাঁরা ৬ ঘণ্টার মধ্যেই একটি সংস্থার হিউম্যান রিসোর্স ডিপার্টমেন্ট থেকে একটি মেল পাবেন। সেই মেলই উল্লেখ থাকবে ছাঁটাইয়ের কথা। 

তবে যেসমস্ত কর্মীদের বরখাস্ত করা হচ্ছে আগামী ৬ মাসের জন্য তাঁদের অর্ধেক বেতন দেওয়া হবে সংস্থার পক্ষ থেকে। তাঁরা যাতে অন্য কোনও সংস্থায় কাজ খুঁজে নিতে পারেন তার জন্য়ই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান হয়েছে সংস্থার পক্ষ থেকে। তবে সংস্থার পক্ষ 

একই সংঙ্গে সংস্থার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে বরখাস্ত হওয়া কর্মীরা আগামী ৬ মাসের জন্য সংস্থার পক্ষ থেকে দেওয়া  ল্যাপটপ ও ফোন ব্যবহারের সুবিধে পাবেন। আগামী ৬ মাসের জন্য স্বাস্থ্য বিমার সুযোগ থেকেও তাঁদের বঞ্চিত করা হবে না বলেও জানিয়েছেন সংস্থার কর্ণধার। পাশাপাশি সংস্থার অবশিষ্ট কর্মীদের জন্যও বেতেন হ্রাসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।  বেতেনের ক্রম অনুযায়ী বেতন কমানো হবে। সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন কমান হবে বলেও সূত্রের খবর।