এই দেশে এমনিতে এখনও পর্যন্ত পিছিয়ে রয়েছে বৃহন্নলারা। এবার তাঁদের স্বার্থের কথা চিন্তা করেই এগিয়েছে তাঁদের গোষ্ঠীভুক্ত জোয়া খান। যিনি গুজরাতের বদোদরার বাসিন্দা। নিজের উদ্যোগেই কাজ শুরু করেছেন কমন সার্ভিস সেন্টারে। তিনি টেলিফোনের মাধ্যমে তাঁর সম্প্রদায়ের সদস্যরে একাধিক পরামর্শ দেন। বৃহন্নলা সম্প্রদায়কে ডিজিটালি সাক্ষর করে তোলাই তাঁর প্রথম এবং প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন জোয়া।

জোয়া জানিয়েছেন তাঁর প্রশিক্ষণ এখনও শেষ হয়নি। কিন্তু তিনি কাজ শুরু করে দিয়েছেন। আর্থিকভাবে পিছেয়ে পড়া ও তাঁর সম্প্রদায়েরভুক্ত মানুষদের সাহায্য করার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালাতে রাজি রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন। সরকার তাঁর সম্প্রদায়ের মধ্যে থেকে তাঁকে নির্বাচন করায় রীতিমত উৎফুল্ল জোয়া। তিনি টেলিমেডিসিন পরামর্শ নিয়ে কমন সার্ভিস সেন্টারে কাজ করতে শুরু করেছেন। 

করোনা মোকাবিলায় 'গোল্ড মাস্ক' পুনের বাসিন্দার, রুপো থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে অভিনব উদ্যোগ ...

লাল ফিতের জট এড়াতেই পরামর্শ, 'কোভ্যাক্সিন' নিয়ে আইসিএমআর-এর নতুন বিবৃতি ..

জোয়ার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদও। তিনি বলেন, ভারতের প্রথম বৃন্নলা হিসেবে জোয়া খান প্রথম কমন সার্ভিস সেন্টারে কাজ করছেন। তাঁর লক্ষ্য তাঁর সম্প্রদায়ের মানুষকে সাহায্য করা। 


২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে কমন সার্ভিস সেন্টার। এই সেন্টারের মূল উদ্দেশ্যই হল গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ই পরিষেবা সরবরাহ করা। প্যান ইন্ডিয়ার অন্তর্গত এটি একটি পরিকল্পনা। কেন্দ্রীয় সরকারের জনসেবা মূলক পরিষেবা, সমাজকল্যাণমূলক প্রকল্প স্বাস্থ্য সেবা ও আর্থিক ও শিক্ষা সংক্রন্ত নানা তথ্য সরবরাহ করা। কমন সার্ভিস সেন্টার থেকেই নানাবিথ তথ্য প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

গালওয়ানে প্রকৃতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছে চিনা সেনার দিকে, রীতিমত কোনঠাসা অবস্থা লাল ফৌজের ...

একটি সরকারি সূত্র জানাচ্ছে সারা ভারতে ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের সিএসসি স্কিমের আওতায় সাড়ে ৩ লক্ষেরও বেশই গ্রাম স্তরের উদ্যোক্তা রয়েছে। উদ্যোক্তারা শিক্ষা স্বাস্থ্য সহ প্রায় ৩০০ রকম তথ্য সরবরাহ করে থাকে।