হাফিজ সইদের মৃত্যুদণ্ড চাই। ২৬/১১ মুম্বই হামলার ১১তম বার্ষিকীতেই সারা বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় এই আওয়াজ উঠল। জেনেভা, টোকিও এবং প্যারিসের বালুচ, সিন্ধি, মহাজির এবং পষ্তুন শরণার্থীরা মঙ্গলবার পাকিস্তানি দূতাবাসের সামনে পোস্টার-ব্যানার হাতে স্লোগান দিতে দিতে ১৬/১১ মুম্বই হামলায় পাকিস্তানের ভূমিকার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হলেন। তাঁদের সঙ্গে গলা মেলালেন গিলগিট ও বাল্টিস্তানের মানবাধিকার কর্মীরাও।

এদিন প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন মানবাধিকারকর্মী টোকিওয় পাক দূতাবাসের সামনে  ২৬/১১ মুম্বই হামলার প্রতিবাদে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। তাদের হাতের ব্যানারে পোস্টারে এই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হাফিজ সইদের মৃত্যুদণ্ডের দাবি ছিল। হাফিজ সইদ সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবা ও জামাত-উদ-দাওয়া-র প্রতিষ্ঠাতা। দুটি গোষ্ঠীই ভারতে নিষিদ্ধ।

১১ বছর আগে ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বইয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলায় ১৭০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন। আহত হন কমপক্ষে আরও ৩০০জন। লস্কর-ই-তৈবার ১০ জন জঙ্গি পাকিস্তানের বন্দর শহর করাচি থেকে সমুদ্রপথে মুম্বই এসেছিল। ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস, তাজ হোটেল, নরিম্যান পয়েন্ট সহ মুম্বই শহরের বেশ কিছু এলাকায় পর পর হামলা চালায় তারা। এনএসজি কমান্ডোরা ২৮ নভেম্বর তাদের অভিযান শুরু করেছিল। ২৯ অক্টোবর সন্ত্রাসবাদীরা খতম হয়। আজমল কাসভ নামে এক জঙ্গী ধরা পড়েছিল। তাঁকে মৃত্য়ুদণ্ড দেয় ভারতের বিচার বিভাগ।