বিতর্কিত সীমান্তের অধিকাংশ জায়গা থেকে সম্পূর্ণ রূপে সেনা সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে ভারও ভারও ও চিন। সীমান্ত উত্তাপ প্রসমনের চেষ্টা করেছে। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে এমনটাই দাবি করেছন  চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন। 

এদিন সাংবাদিক সম্মেনলে তিনি বলেন হিমালয় সীমান্তে ভারত ও চিনা সেনাদের মধ্যে গত কয়েক দশকের মারাত্মক লড়াই শুরু হয়েছে জুন মাস থেকে। আর  বিশ্বের দুই শক্তিধর ও জনবহুল দেশের মধ্যে সীমান্ত উত্তাপ রীতিমত আতঙ্ক বাড়িয়েছিল বাকি দেশগুলির মধ্যে।  এদিন সাংবাদিক বৈঠকে তিনি আরও বলেন ইতিমধ্যেই অধিকাংশ জায়গা থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে। আগামী আর্থাৎ পঞ্চমদফার সামরিক বৈঠকের জন্যই দুই দেশ প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

১৫ জুন দুই দেশের জওয়ানদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পর দুই দেশই জানিয়েছিল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। গালওয়ানসহ একাধিক জায়গা থেকে চিন সেনা সরিয়ে নিলেও তিব্বত ও লাগোয়া সীমান্তে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সাঁজোয়া গাড়ি যুদ্ধ বিমানও মোতায়েন করা হয়েছে। পাল্টা ভারতও শক্তি বাড়াচ্ছে ওই এলাকায়। দুই পারমানবিক শক্তিধর দেশ ক্রমশই নিজেদের শক্তি প্রদর্শনে মরিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। 

ধর্ষণ, গর্ভপাত কিছুই বাদ যায় না কিমের রাজত্বে, শতাধিক মুক্তিপ্রাপ্ত মহিলার জানালেন ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা ...

পূর্ব লাদাখে ভারত-চিন সমীকরণ বদলে দেবে প্রকৃতি, প্রতিকূল অবস্থায় বিপর্যস্ত হতে পারে লালফৌজরা ...

অন্যদিকে লাদাখ সীমান্তের সংঘর্ষের পর ভারতেও চিন বিরোধী মনোভাব ক্রমশই বাড়ছে। চিনা পণ্য বয়কটের ডাক দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে নিরাপত্তার কারণে সরকারও ৫৯টি চিনা অ্যাপ বাতিল করেছে। 
আবারও লাদাখ থেকে সেনা সরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে চিন, প্রশ্ন লাল ফৌজদের কতটা বিশ্বাস করা যায় ...