শি জিনপিং-এর সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীর ঘরোয়া বৈঠকে কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিল নিয়ে কোনও কথা হয়নি। কিন্তু, ভূস্বর্গ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার দিনেই এই নিয়ে তীব্র আপত্তি জানালো চিন। এদিন চিনের বিদেশ দপ্তর থেকে ভারতের এই পদক্ষেপকে বেআইনি এবং ফাঁপা বলা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, এতে চিনের ভূখণ্ডও জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এর জবাবে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত নয় বরং চিনই ভারতের অংশ দখল করে আছে।

৩০ অক্টোবর অর্থাৎ বুধবার মধ্যরাতেই জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। এদিন চিনের বিদেশ দপ্তরের মুখপাত্র গেং শুয়াং জানান, ভারত যে লাদাখ কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের কথা ঘোষণা করেছে, তারমধ্যে কিছুটা চিনা ভূখণ্ডকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে চিন হতাশ এবং কঠোরভাবে এর বিরোধিতা করছে। ভারত একতরফাভাবে নিজেদের আইন এবং প্রশাসনিক বিভাগ পরিবর্তন করেছে, যার ফলে চিনের সার্বভৌমত্ব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

এরপরই তিনি জানান, ভারতের এই সিদ্ধান্ত বেআইনি এবং ফাঁপা। এতে কোনও পরিবর্তনই হবে। ওই অঞ্চল চিনের দখলে আছে, আগামী দিনেও থাকবে। ভারত-চিনের সীমান্ত নিয়ে যে শান্তিচুক্তি হয়েছে, তা বারত যেন মেনে চলে - এই হুশিয়ারিও দিয়েছে চিন।

এর জবাবে বারতের বিদেশ দপ্তরের মুখপাত্র রবিশ শর্মা বলেছেন, অন্যান্য দেশ ভারতের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে শ্রদ্ধা করবে এটাই ভারতের আশা। জম্মু-কাশ্মীর, ও লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে চিন একটি বৃহৎ অঞ্চল দখল করে রয়েছে। ১৯৬৩ সালের চিন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে চিন অবৈধভাবে ভারতীয় অঞ্চল অধিগ্রহণ করেছে।