টুইটারে নয়া নিষেধাজ্ঞা জারি হতে চলেছে এই নিষেধাজ্ঞার জেরে বিপাকে পড়ছেন রাজনৈতিক নেতারা  টুইটারে কোনও রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন দেওয়া যাবে না ঝুঁকি এড়াতে টুইটারের এই সিদ্ধান্ত 

ঠিক যে সময়ে বিজ্ঞাপণ দেওয়ার ক্ষেত্রে বা প্রচারের ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়া একটা বড় জায়গা করে নিয়েছে, ঠিক তখনই টুইটারে যে কোনও ধরনের রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন বন্ধের ঘোষণা করল করলেন সংস্থাটির কার্যনির্বাহী প্রধান। তিনি জানিয়েছেন, এই ধরনের বিজ্ঞাপন অনেক ঝুঁকির কারণ নিয়ে আসে। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্য দিকে, কিছুদিন আগে ফেসবুকে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনে প্রচারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আমেরিকায় ২০২০ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। তার আগে টুইটারের এই ধরনের সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল। টুইটারের এই নয়া সিদ্ধান্তের জেরে আমেরিকার রাজনৈতিক দল দুভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে। সামনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ম্যানেজার ব্রাড পার্সকেল জানিয়েছেন, ট্রাম্প ও অন্যান্য রক্ষণশীলদের চুপ করিয়ে দেওয়ার জন্য এটা আর একটা ষড়যন্ত্র। আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের মুখপাত্র বিল রুসো জানিয়েছেন, যখন বিজ্ঞাপন থেকে মুনাফা লাভ ও দেশের অখণ্ডতার মধ্যে যে কোনও একটা বেছে নিতে হয়, তখন দেশের অখণ্ডতাকে বাছার জন্য উৎসাহ দেওয়ার প্রয়োজন। ২২ নভেম্বর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। 

Scroll to load tweet…

টুইটারের কার্যনির্বাহী প্রধান জ্যাক ডরসি জানিয়েছেন, টুইটারে বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক নেতারা বিজ্ঞাপন দেন। এই বিজ্ঞাপন বন্ধ করার জন্য আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা মনে করি রাজনৈতিক নেতাদের বার্তা অর্জন করার প্রয়োজন। রাজনৈতিক নেতাদের ম্যাসেজ কেনা কখনই উচিত নয়। তিনি মন্তব্য করেছেন, আমরা চাই না, কোনও বিভ্রান্তিমূলক কথা বা বার্তা বিশ্ব ছড়িয়ে পড়ুক। টুইটার থেকে এই বিভ্রান্তিমূলক বার্তা যাতে বিশ্বে ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি। এরপরেই তিনি জানান, কেউ যদি তারপরেও রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন দেখার জন্য সাধারণ মানুষকে জোর করেন বা এর জন্য অর্থ ব্যয় করেন, তা হলে তাঁরা যা খুশি করতে পারেন। আমাদের নীতির বাইরে কেউ কোনও কাজ করলে আমরা উপযুক্ত ব্যবস্থা নেব।