ঠিক দুঘন্টা পর বুলবুল আছড়ে পড়বে বাংলাদেশে। চলছে জোর কদমে প্রস্তুতি। বুলবুলের মোকাবিলায় তড়িঘড়ি মাঠে নেমে পড়েছে বাংলাদেশ প্রশাসন। তৈরি করা হয়েছে ত্রাণ শিবির। মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে শুক্রবার থেকেই। উপকূলবর্তী অঞ্চলে চলছে মাইকে করে সতর্ক করার কাজ। 

ইতিমধ্যেই জল ঢুকেছে বেশ কিছু গ্রামে। শনিবার রাত আটতেই বাংলাদেশের বুলে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। সক্রিয় অবস্থায় এই ঝড় বইবে টানা তিন ঘন্টা। এই সময় বায়ুর গতিবেগ থাকবে ঘন্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার। সর্বোচ্চ গতিবেগ হতে পারে ১৩৫ কিলোমিটার। সময় যতই এগোছে আবহাওয়ার পরিস্থিতি খারাপে দিকে যাচ্ছে। শনিবার সকাল থেকেই শুরু হয়ে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত। দুপুর থেকেই ঝোড়ো হাওয়া বিতে থাকে। বিকেলেই আকাশ কালো হয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে। 

 

 

মোকাবিলাতে প্রস্তুত বাংলাদেশ। তৈরি হয়েছে ১৫৩টা ত্রাণ শিবির। মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই জলবন্দী প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। দু্র্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসন। ৯০০ জন কর্মীর একটি টিম শনিবার সকাল থেকেই প্রচার কাজ চালাচ্ছে। সঙ্গে জলে না নামার জন্য নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়েছে সাধারণ মানুষকে।