আবারও কী থমকে যাবে জাপান অলিম্পিক ২০২০। জাপান মন্ত্রিসভার সদস্য তারো কোনো তেমনই জানিয়েছেন বলে দাবি করছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। তারো কোনোকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স বলেছে, করোনাভাইরাসের মহামারি অলিম্পিকসের প্রস্তুতিতে বাধা তৈরি করছে। উদ্যোক্তাদের সবরকম পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকতে হবে বলেও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণেই ২০২০ সালের টোকিও অলিম্পিকস ও প্যারা অলিম্পিকস অনুষ্ঠানে বিলম্ব হয়েছে। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আসন্ন গ্রীষ্মেও অলিম্পিকের আসর বসানো নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। তবে এখনও সমস্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে জাপান প্রশাসন। কিন্তু করোনা সংক্রামণের কারণে তা কতটা সাফল্য পাবে তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। 

 

রয়টার্স নেক্সট সম্মেলনে এক সাক্ষাৎকালে তারো কোনো বলেছেন এই মুহূর্তে অলিম্পিকের আসর বসানোর জন্য তারা সবরকম চেষ্টা করছেন। কিন্তু তবে তা সফল নাও হতে পারে। তিনি বলেছেন আয়োজক দেশ হিসেবে জাপান প্রশাসন সবরকম পদক্ষেপ করছে। সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার জন্য দেশটি যথাসাধ্য চেষ্টা  চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানিয়েছেন জাপানের মন্ত্রী তারো কোনো। তারপরেই তিনি বলেছেন যেকোনও রকম পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকতে হবে। করোনাভাইরাসের নতুন সংক্রমণের জন্যই এই বাধা তৈরি হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার নতুন করে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ১৫০০ জন। সংক্রমণ রুখতে বুধবার থেকে  নতুন করে জারি করা হয়েছে লকডাউন। 

 গত বছরই অলিম্পিকস অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল জাপানে। বিশ্বব্যাপী মহামারির কারণে তা একবছর পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আসন্ন গ্রীষ্মে অলিম্পিকস অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। আগামী ২৩ জুলাই বিলম্বিত অলিম্পিকের উদ্বোধনের কথা ছিল। কিন্তু তাতেই বাধ সেধেছে নতুন করে করোনা সংক্রমণ। কারণ জাপানে নতুন স্টেনে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলেই জানিয়েছে জাপান প্রশাসন।

জাপান প্রশাসনের কথা অলিম্পিক অ্যাকশন কমিটি অবশ্যই প্ল্যান বি প্ল্যান সি-র জন্য চিন্তাভাবনা করবে। কিন্তু পরিস্থিতি যে মোটেও স্বাভাবিক নয় বলেও জানিয়েছেন তিনি।  রাজধানী টোকিও-র অবস্থা মোটেও সন্তোষজনক নয়। বেসরকারি একটি সংস্থার সমীক্ষায় দেখা গেছের দেশটির ৮০ শতাংশ মানুষই অলিম্পিকস ও প্যারা-অলিম্পিকস পিছিয়ে দেওয়ার পক্ষেই মত দিয়েছেন। তারপরেই জাপান প্রশাসন অলিম্পিকসের আয়োজনের জন্য সবরকম উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।