ভারত, ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন, রাশিয়া সহ বেশ কিছু দেশে করোনাভাইরাস-এর সম্ভাব্য টিকা মানব দেহে পরীক্ষার স্তরে পৌঁছে গিয়েছে। কেউ বলছে অগাস্ট মাসেই চলে আসবে কোভিড টিকা, কেউ বলছেন ডিসেম্বরের মধ্যেই ভারতে মিলবে করোনা ভ্যাকসিন। কিন্তু, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই বছরই করোনাভাইরাস টিকা বাজারে আসার আশায় জল ঢেলে দিল। বুধবার তারা জানিয়েছে গবেষকরা কোভিড -১৯-এর বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন তৈরির ক্ষেত্রে দারুণ অগ্রগতি দেখালেও ২০২১ সালের প্রথম দিকের আগে তাদের বাজারে আসার আশা করা যাচ্ছে না।

বিশঅব স্বাস্থ্য সংস্থার করোনাভাইরাস কর্মসূচির প্রধান মাইক রায়ান বলেছেন, টিকা তৈরির ক্ষেত্রে গোটা বিশ্বেই ভালো অগ্রগতি হয়েছে। বেশ কয়েকটি ভ্যাকসিন এখন তৃতীয় ধাপের পরীক্ষার স্তরে পৌঁছে গিয়েছে। মানব দেহকে সুরক্ষিত করা বা দেহে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির দিক থেকে এখনও পর্যন্ত এর কোনওটিই ব্যর্থ হয়নি। তবে বাস্তব মানলে বলা যায় আগামী বছরের প্রথম অংশের বিশ্বজুড়ে টিকাকরণ শুরু করা সম্ভব নয়।

তিনি আরও জানান হু বিশ্বব্যাপী ভ্যাকসিনের ন্যায্য বিতরণ নিশ্চিত করার বিয়ে কাজ করছে। সম্ভাব্য ভ্যাকসিনগুলি কীভাবে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, কীভাবে তার উত্পাদন ক্ষমতা বাড়ানো যায়, সেই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখছে রাষ্ট্র সংঘের এই সংস্থা।  রায়ান জানান, মহামারিটির ভ্যাকসিন ধনীদের বা দরিদ্রদের জন্য নয়, এটি সবার জন্য উপলব্ধ হওয়া উচিত।

স্কুল-কলেজ ফের চালু করা উচিত কি উচিত নয় এই নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এখন জোরর বিতর্ক দেখা দিয়েছে। ভারতেও একাংশের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞরা সওয়াল করেছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি খুলে দেওয়ার বিষয়ে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থআর পক্ষ থেকে এই বিষয়ে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯'এর গোষ্ঠী সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফের চালু করা উচিত নয়।