সন্ধ্যের মধ্যেই স্থলভাগে ঢুকবে বুলবুল। সকাল থেকেই শুরু হয়েছে প্রবল বৃষ্টিপাত। ঘুর্ণিঝড়ের প্রকোপ থেকে বাঁচতে ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে বাংলাদেশ প্রশাসন। চলছে মানুষকে সতর্ক করার কাজ। পাশাপাশি মানুষকে উপকূলবর্তী অঞ্চল থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নিরাপদ জায়গায়। এখনও ঢোকেনি বুলবুল। তারই আগেই ফুঁসছে জলরাশি। ইতিমধ্যেই প্লাবিত হল বাংলাদেশের আট গ্রাম। 

রাবনাবাদ নদের  জল বইছে বিপদসীমার ওপর থেকে। তার জেরেই জল ঢুকতে শুরু করেছে আট গ্রামে। বানাতিপাড়া, চাড়িপাড়া, নয়াকাটা, চৌধুরীপাড়া, নাওয়াপাড়া, ছোট পাঁচ নম্বর, বড় পাঁচ নম্বর ও মুন্সীপাড়া গ্রামে জল ঢুকেছে শুক্রবার রাত থেকেই। লালুয়ার বাঁধ ভেঙেছিল অনেকদিন আগেই। যার জেরেই জল ঢুকছে গ্রামে। মোটের ওপর আটটি গ্রামে জলবন্দী প্রায় ১০ হাজার মানুষ। 

 

 

অন্যদিকে সময় যতই বাড়ছে ততই প্রস্তুতি আরও জোরালো করতে উঠে পরে লেগেছেন প্রশাসনের কর্মীরা। উপকূলবর্তী অঞ্চলে চলছ মানুষকে সতর্ক করার প্রয়াস। জলে নামায় জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। অন্যদিকে একটি মাছের ট্রলার এখনও রয়েগিয়েছে গঙ্গামতি এলাকায়। সাত জেলের ওই ট্রলার নিয়ে এখন বেজায় চিন্তার ভাঁজ স্থানীয় মানুষদের কপালে।