বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ২১ লক্ষ ছাড়িয়ে গেল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুয়ায়ী, বার্ষিক রেকর্ড করা ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগের তুলনায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় তিনগুণ বেশি। আক্রান্তর দেশগুলির ক্রমতালিকায় এখনও প্রথম স্থানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয় স্থানে ব্রাজিল আর তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৫লক্ষ ৫২ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে প্রায় ৬০ লক্ষেরও বেশি মানুষ। 

এবার আমরা চোখ রাখব করোনা বিশ্বের ক্রম তালিকায় 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বিশ্বের অধিকাংশ দেশই লকডাউনের পথেই হেঁটেছে। কিন্তু তাতে সংক্রমণ কমলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে চিন আর অস্ট্রেলিয়া নতুন করে আবারও লকডাউনের দিকেই হাঁটছে। বিশেষজ্ঞদের মত করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কার না হওয়ায় পর্যন্ত এভাবেই চলতে হবে বিশ্ব বাসীকে। প্রতিষেধক আবিষ্কারের আগে  বিশ্বজুড়ে স্থিতাবস্থা ফেরার সম্ভাবনা খুবই কম। ভারতসহ বিশ্বের একাধিক দেশই করোনার প্রতিষেধকের খোঁজে গবেষণার কাজ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে ২০২১ সালের আগে প্রতিষেধক হাতে পাওয়ার তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। 

গত জানুয়ারিতে চিনে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেখা গিয়েছিল।  তারপর থেকে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ মিলিয়ন হতে সময় নিয়েছিল ১৪৯ দিন। সেই সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে ১২ মিলিয়নে পৌঁছলে লাগল মাত্র ৩৯ দিন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ইনফ্লুয়েঞ্জায় মৃতের সংখ্যাকে। 


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রিপোর্ট অনুযায়ী গত ৩ জুলাই থেকে প্রতিদিনই মারাত্মক ছোঁয়াচে এই জীবাণুতে আক্রান্ত হচ্ছেন ৫৬৮১৮ জন। সেই সময় গোটা বিশ্বেই আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১ মিলিয়ন। গোটা বিশ্বে আক্রান্তের এক চতুর্থাংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা। 

পয়লা জুলাই থেকে ব্রাজিলে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েগেছে। এই দেশে আক্রান্তের সংখ্যা১.৭ মিলিয়ন। সরকারি প্রতিবেদন অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে বর্তমানে করোনাভাইরাস দ্রুতহারে ছড়াচ্ছে লাতিন আমেরিকার দেশগুলির মধ্যে। জুলাইয়ের শুরুতে মোট আক্রান্তের ৪৫ শতাংশই  ব্রাজিল ও আমেরিকার বাসিন্দা। তৃতীয় স্থানে থাকা ভারতেও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজারের বেশি।