মলদ্বীপে উন্নয়ন বিষয়ক শীর্ষ সম্মেলন সম্মেলনে কাশ্মীর প্রসঙ্গ তোলেন পাক প্রতিনিধি পাক প্রতিনিধিকে মুখের মতো জবাব দেন রাজ্যসভার ডেপুটি স্পিকার

আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলিতে উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা। বিদেশের এমন শীর্ষ সম্মেলনেও কাশ্মীর প্রসঙ্গ টেনে আনলেন পাক প্রতিনিধি। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উচিত জবাব দিলেন ভারতীয় প্রতিনিধিও। ভারত- পাকিস্তান দু' পক্ষের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের সাক্ষী থাকল মলদ্বীপের সংসদ। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মলদ্বীপের সংসদে রবিবার চতুর্থ সাউথ এশিয়ান স্পিকার সামিটে আমন্ত্রিত ছিলেন ভারত এবং পাকিস্তানের প্রতিনিধিরাও। আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল সহনশীল উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা। আর তা নিয়ে বলার মাঝেই পাকিস্তানের ডেপুটি স্পিকার কোয়াসিম সুরী কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের বিষয়টি টেনে আনেন। 

আরও পড়ুন- ৩৭০ ধারা বিলোপের আগে বিরাট আয়োজন, মোদীর উদ্যোগে করা হয়েছিল বিশেষ হোম-যজ্ঞ

সঙ্গে সঙ্গেই তাতে আপত্তি জানান ওই আলোচনাসভায় ভারতীয় প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত রাজ্যসভার ডেপুটি স্পিকার হরিবংশ নারায়ণ সিং। পাক প্রতিনিধির বক্তব্যের পাল্টা তিনি বলেন, যে দেশ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে গণহত্যা চালিয়েছে এবং বেআইনিভাবে আজাদ কাশ্মীরকে দখল করে রেখেছে, নৈতিকতার খাতিরেই অন্তত তাদের মুখে কাশ্মীর প্রসঙ্গ আন্তর্জাতিক মঞ্চে উত্থাপন করা মানায় না। হরিবংশ নারায়ণ সিং আরও বলেন, 'এই মঞ্চে ভারতের অভ্যন্তরীণ প্রসঙ্গ উত্থাপন করার তীব্র বিরোধিতা করছি আমরা। একই সঙ্গে বাহ্যিক যে বিষয়গুলির সঙ্গে এই শীর্ষ সম্মেলনের কোনও সম্পর্ক নেই, তা টেনে এনে এই মঞ্চকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার চেষ্টারও নিন্দা করছি।' একই সঙ্গে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন. সবার আগে পাকিস্তানের উচিত সীমান্তের ওপার থেকে কাশ্মীরে সন্ত্রাসে মদত দেওয়া বন্ধ করা। 

Scroll to load tweet…

পাক শিবির থেকে তীব্র হই হট্টগোল শুরু করা হলেও হরিবংশ নারায়ণ সিং বলতে থাকেন, 'আজাদ জম্মু এবং কাশ্মীর কোনও দেশ বা রাজ্য নয়। তা সত্ত্বেও সেখানে একজন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি এবং আইনসভা রয়েছে। রাজ্যসভার ডেপুটি স্পিকার আরও মনে করিয়ে দেন যে এই শীর্ষ সম্মেলনের বিষয়বস্তু একেবারেই উন্নয়ন কেন্দ্রিক এবং তার বাইরের কোনও বিষয়কে যেন আলোচনার অন্তর্ভুক্ত না করা হয়। মলদ্বীপের এই শীর্ষ সম্মেলনে ভারতীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পরে রাষ্ট্রসংঘ-সহ আন্তর্জাতিক মঞ্চে বিষয়টি তুললেও কার্যত কোনও সাড়াই পায়নি পাকিস্তান।