গরমে ৩৫ থেকে ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রাতেই কলকাতাবাসীর যখন নাভিশ্বাস উঠছে তখন ফুকেতের তাপমাত্রার পারদ ঘোরাফেরা করছে ৬৩ থেকে ৬৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। স্বাভাবিকভাবেই সেখানে জারি রয়েছে তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা। আবহ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত এটাই পৃথিবীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। 

ইতিমধ্যেই প্রবল তাপপ্রবাহের জেরে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ১০ জনের। এছাড়াও হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছে একাধিক মানুষ। মনে করা হচ্ছে এমন তাপপ্রবাহ চলতে থাকলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে। ফুকেতের পাশাপাশি সৌদি আরবের আল মাজমা শহরেও তাপমাত্রা পৌঁছেছে ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। দিনের বেলা সেখানকার পারদ ছুঁয়েছে ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ইরাকের মেসান প্রদেশে তাপমাত্রা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তবে বিকেলের দিকে তাপমাত্রা খানিকটা কম হলেও অস্বস্তি জারি রয়েছে। 

প্রবল দাবদাহের জেরে বাড়ি থেকে বাইরে বোরোনোই বন্ধ করে দিয়েছেন সেখানকার সাধারণ মানুষ। তবে মনে করা হচ্ছে এই দাবদাহ যদি চলতে থাকে তাহলে এর পরের মাসেই তাপমাত্রা ৬৮ ডিগ্রিতে পৌঁছে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন আবহবিদরা।