সুনামির জল যে গতিতে স্থলভাগে ঢুকে পড়ে, সেই গতিতেই বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস সংক্রমণ। কোভিড-১৯ ঠেকাতে তাই বিভিন্ন স্বাস্থ্য় সংক্রান্ত সংস্থার পক্ষ থেকেই ৩ ফুট বা ১ মিটার সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, ভিড়ে ঠাসা বাস-ট্রেনে কীভাবে এই দূরত্ব বজায় রাখা যাবে? আদৌ কী সম্ভব?

আরও পড়ুন - নেই তো করোনাভাইরাস, পরীক্ষার খাতা দেখতে গিয়ে আতঙ্কে অগ্নিকাণ্ড ঘটালেন অধ্যাপক

বর্তমানে ভারতে বাস-ট্রেনে কেউ হাঁচি-কাশি দিলে বা নাক টানলেই তার দিকে সন্দেহের চোখে তাকাচ্ছেন বাকিরা। কিন্তু, ১২৫ কোটি জনগনের দেশে তার থেকে বেশি কিছু করার নেই। ৩ ফুট বা ১ মিটার দূরত্ব বজায় রাখা প্রায় অসম্ভব। প্রায় বলা হচ্ছে, কারণ, একভাবে এই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা যেতে পারে। পথ দেখালেন করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবে বিধ্বস্ত ইতালির এক প্রৌঢ়।

আরও পড়ুন - বেঙ্গালুরু-তে স্বামী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, আগ্রায় দোল খেলতে চলে গেলেন স্ত্রী

সম্প্রতি ইতালির রাজধানী শহর রোমে ওই ভদ্রলোককে একটি বিশাল কার্ডবোর্ডের বৃত্ত বানিয়ে, স্কার্টের মতো করে পরে ঘুরতে দেখা গিয়েছে। বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস আতঙ্কের মধ্যে ওই ইতালিয় প্রৌঢ়ের 'করোনাভাইরাস বলয়' পরে ঘোরার ওই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। বিশ্বব্যপী ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায়, বিশেষত টুইটারে শেয়ার করছেন। সামাজিকত দূরত্ব বজায় রাখার এমন অভিনব উপায় বের করার জন্য বাহবা পাচ্ছেন ওই অজ্ঞাত পরিচয় ইতালিয়।

আরও পড়ুন - করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন হ্যান্ড স্যানিটাইজার, জেনে নিন তৈরির পদ্ধতি

অনেকে অবশ্য এই সংক্রমণ প্রতিরোধী কার্ডবোর্ডের বলয় ব্যবহারের কিছু অসুবিধা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। একজন প্রশ্ন করেছেন গণ শৌচাগারে যাওয়ার সময় তিনি ওই সুরক্ষা বলয়টিকে কোথায় রাখবেন তা কি ভেবেছেন? অন্য একজন লিখেছেন, ওই ব্যক্তির ব্যবস্থা দেখে পর্যটকরাও এভাবে ভ্রমণে আকৃষ্ট হতে পারে। যদি বাড়ির বাইরে থাকতেন তবে তাঁর এই পদ্ধতি আরও বেশি কার্যকর হত। আরেকজন মন্তব্য করেছেন, এটি পরে কোনও দরজা দিয়ে ঢোকা-বের হওয়া মুশকিল। অপর একজন বলেছেন, কেউ হাঁচলে কিন্তু ওই দূরত্ব অতিক্রম করেও ভাইরাস তার দেহে ঢুকতে পারে।