প্রাপ্ত বয়েস্কোদের পর এবার ছোটদের করোনাভাইরাসের টিকা তৈরির দিকে জোর দিয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রোজেনেকা। সম্প্রতি একটি বিবৃতিতে জানান হয়েছিল কোভিড ১৯ ভ্যাকসিটটি বিকাশ করেছে। সেটির সুরক্ষা ও প্রতিরোধের প্রতিক্রিয়া মূল্যায়ন করার জন্য একটি গবেষণা শুরু করেছে। নতুন মিড স্টেট ট্রায়ালের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে টিকাটি ৬-১৭ বছর বয়সীদের মধ্যে রীতিমত কার্যকর। 

অক্সফোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে চলতি মাসে প্রায় ৩০০ স্বেচ্ছাসেবকের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। প্রথম ইনোকুলেশন আসা করা হচ্ছে। অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রোজেনেকা ভ্যাকসিনটি জানিয়েছে তাদের তৈরি ভ্যাকসিন বিশ্বের জন্যই তৈরি করা হচ্ছে। সংস্থার পক্ষ থেকে আরও জানান হয়েছে এটি বাকি করোনা-ভ্যাকসিনগুলির তুলনায় অনেক সস্তা আর সরবরাহ করা অনেকটাই সহজ। চলতি বছর ৩ বিলিয়ন করোনা ভ্যাকসিনের ডোজ তৈরির লক্ষ্য় নিয়েই অ্যাস্ট্রোজেনেকা এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানান হয়েছে সংস্থার পক্ষ থেকে। আর সেই লক্ষ্য পুরণের জন্য প্রতিমাসে ২০০ মিলিয়ন ভ্যাকসিনেপ ডোজ উৎপাদন করার দিকে জোর দেওয়া হয়েছে ।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁটা দীনেশের, বললেন বিজেপির প্রস্তাবে তিনি সম্মানিত ..

বাড়ির সামনে BSF, নজরদারীর অভিযোগ তুলে সরব তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর চিঠি ...
শুধু অক্সফোর্ডই নয় আরও বেশ কয়েকটি সংস্থা শিশুদের জন্য করোনার প্রতিষেধকের খোঁজে রয়েছে। তারাও ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য করোনার প্রতিষেধক তৈরির ওপর জোর দেয়েছে। ইতিমধ্যেই ১২ থেকে ১৬ বছর বয়সীদের জন্য তৈরি প্রতিষেধকের ট্রায়াল রান শুরু করেছে মোডার্না। বিশেষজ্ঞরা অক্সফোর্ডের এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন অক্সফোর্ডের এই পদক্ষেপ আগামীদের শিশুদের টিকা দেওয়ার কর্মসূচি বাড়াতে সাহায্য করবে। টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হলে শিশুরাও স্কুলে যেতে পারবে। নিরাপদে ঘোরাফেরা করতে পারবে বলেও আশাপ্রকাশ করেন তাঁরা। এক বিশেষজ্ঞর কথায় শিশুদের কাছে করোনাভাইরাস তেমন ভয়ের নয়। তবে শিশুরা সংক্রমণ ছিড়িয়ে দিতে পারে খুব সহজে। কিন্তু সাবধানতা অবলম্বনের জন্যই বর্তমান বিশ্বে অধিকাংশ স্কুল কলেজ বন্ধ করে রাখা হয়েছে।