তাঁর ওপর নজরদারী চালান হচ্ছ। এমনই অভিযোগ তুললেন তৃণমূল কংগ্রেসের কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। শনিবার সকালেই তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, তিন জন বিএসএফ কর্মী অ্যাসল্ট রাইফেল নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তাঁর বাড়ির সামনে। বারখাম্বা রোড পুলিশ স্টেশন থেকে নিরাপত্তা রক্ষীরা তার নিরাপত্তার জন্য এসেছে। নিরাপত্তা রক্ষীরা তার বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। তিনি একজন স্বাধীন নাগরিক। জনতাই তাঁর রক্ষাকর্তা বলেও জানিয়েছেন তিনি। টুইটার বার্তায় তিনি ট্যাগ করছেন স্বারাষ্ট্র মন্ত্রক ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহকে। একই সঙ্গে তাঁদের কাছে নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়ার জন্যেও আবেদন জানিয়েছেন। 

এখানেই থেমে থাকেননি তৃণমূল কংগ্রেস। তিনি নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছ চিঠি দিয়েছেন দিল্লি পুলিশকেও। সেখানেও তিনি জানিয়েছেন নিরাপত্তার জন্য কোনও আবেদন জানাননি তিনি। সেখানেই তিনি আশঙ্কা করেছেন তাঁর ওপর নজরদারী চালান হচ্ছে বলেও তিনি আশঙ্কা করছেন। সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর খবর অনুযায়ী মহুয়া মৈত্র বলেছেন তাঁর ওপর যদি নজর রাখা হয় তাহলে তার থেকে ভালো তাঁকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা। তাঁকে যা যা জিজ্ঞাসা করা হবে তার উত্তর দেবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন এমনিতেই ভারতের গণতন্ত্র হুমকির মুখে রয়েছে। তিনি আরও বলেন মনে হচ্ছে তিনি যেন রাশিয়ান গুলাগ-এ বাস করছেন। 

সম্প্রতি দেশের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে সরব হয়েছিলেন সংসদে। কয়েক দিন আগে নরেন্দ্র মোদী সরকারে নিশানা করে তিনি বলেন দেশের শাসন ব্যবস্থাও এখন ভয় পাচ্ছে। সেক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির প্রসঙ্গও টেনে আনেন তিনি। আর সেই কারণেই বেস কয়েকজন বিজেপি সাংসদ মহুয়ার বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিশ জারির আবেদন জানিয়েছিলেন।