রবিবার ফের কেঁপে ইন্দোনেশিয়া। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.১। মার্কিন জিওলজিকাল সার্ভের সূত্রে জানানো হয়েছিল এই ভূকম্পনের ফলে সুনামির সম্ভাবনা প্রবল। হতে পারে মারাত্মক রকমের কোনও ক্ষয়ক্ষতিও। আর তাই সুনামির সতর্কতা জারি করার জন্য আতঙ্কিত শহরবাসীকে অন্যত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। 

এদিন ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সুলাওয়েসি ও মালকুকু দ্বীপের মধ্যবর্তী মলুকা সাগরের ২৪ কিলোমিটার গভীরে। ইন্দোনেশিয়ার ভৌগলিক সংস্থার পক্ষ থেকে ভূকম্পের তীব্রতা অনুধাবন করে উপকূলবর্তী এলাকায় সুনামির সম্ভাবনা জারি করেছিল। আর সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে উপকূলীয় এলাকা থেকে সরে এসে নিরাপদ স্থানে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যদিও সংস্থার তরফ থেকে পরে সুনামির সতর্কবাণী তুলে নেওয়া হয়। কিন্তু প্রবল ভূমিকম্পের জেরে প্রাথমিকভাবে ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন মালুকু দ্বীপ-সংলগ্ন মানুষরা। সেখানকার এক স্থানীয়ের কথায় রাতে ঘুমোতে যাওয়ার সময়ে আচমকাই দরজা-জানলা কেঁপে ওঠে। ভয় পেয়ে তখনই তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে উঠে এসেছিল আতঙ্কিত মানুষের চিত্রটা। 

দক্ষিণ-পূর্ব  এশিয়ায় অবস্থিত এই দেশটি প্রথম থেকেই ভূমিকম্প এবং সুনামি প্রবণ এলাকা। এর অন্যতম কারণ হল, এর ভৌগেলিক অবস্থান। তথাকথিত প্যাসিফিক রিং অব ফায়ারে অবস্থানের দরুণ, এখানকার টেকটনিক প্লেটগুলি প্রায়শই একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত থাকে। সম্প্রতি কয়েক বছরে সুনামি ও ভূমিকম্পের জেরে এই দেশটিতে প্রবল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।