উত্তর হাঙ্গেরির ছোট্ট একটি গ্রাম সিনপেট্রির বাসিন্দা বেলা ভার্গা নিজের হাতে একটি বই তৈরি করেছেন। এটি বিশ্বের বৃহত্তম বই বলে দাবি করা হয়। এটি তৈরিতে ৭১ বছর বয়সী বেলা ঐতিহ্যবাহী বই বাধানোর কৌশল ব্যবহার করেছেন। ৪.১৮ মিটার দীর্ঘ এবং ৩.৭৭ মিটার প্রশস্ত বইটির ৩৪৬ পৃষ্ঠা রয়েছে। এটির ওজন ১৪২০ কেজি। বইটিতে এলাকার বায়ুমণ্ডল, গুহাগুলির কাঠামো, ভূখণ্ড সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন- পাকিস্তানে এবার সিগারেটের বিজ্ঞাপন পুরোপুরি নিষিদ্ধ করল ইমরান খানের সরকার

একটি ছোট কপিও প্রস্তুত করা হয়েছে, যাতে বইটির নাম গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে রেকর্ড করা যায়। এর ওজন ১১ কেজি। দুটি বই একই সঙ্গে প্রস্তুত করা হয়েছিল। ভার্গার মতে, "তিনি ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে বিশেষ উপহার হিসাবে একটি ইয়াক লেজ পেয়েছেন। ভুটানে, ইয়াকের লেজটি বৌদ্ধ ভিক্ষুগণ পবিত্র বইগুলি পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করেছিলেন। এটি ধুলো অপসারণের জন্য সেরা হিসাবে বিবেচিত হয়। আমিও তাই এই বই থেকে ধুলো সরানোর কাজে ইয়াকের লেজটি ব্যবহার করি।"

বেলা বলেছিলেন, এই বইটি কেবল তার আকারের কারণে নয়, তবে এটির নির্মাণে ব্যবহৃত প্রযুক্তির কারণেও আলোচনায় রয়েছে। বইটি এই অঞ্চল সম্পর্কিত তথ্য দেওয়ার অন্যান্য বইয়ের চেয়ে আলাদা। এর জন্য আর্জেন্টিনা থেকে কাঁচা কাঠের টেবিল এবং গরুর চামড়া ব্যবহার করা হয়েছে। এটির পৃষ্ঠাটি ওল্টাতে ৬ জন লোকের প্রয়োজন হয়। বইটি তৈরি করা হয়েছিল বেশ কয়েক বছর আগে তবে বর্তমানে জনপ্রিয়তার নিরিখে সেটিকে প্রদর্শনের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হয়েছে। বেলা-র তৈরি বই দেশ বিদেশ থেকে মানুষরা উৎসাহের সঙ্গে দেখতে আসছেন এটাই তাঁর পরম পাওয়া বলে জানিয়েছেন তিনি।