পাকিস্তানে এবার তামাকজাত পণ্য়ের বিজ্ঞাপনের ওপর  পুরোপুরি নিষেঘাজ্ঞা জারি করল ইমরান খানের সরকার। অনলাইনে সম্প্রচারিত সিগারেটের ওপর আর কোনও বিজ্ঞাপন এবার দেখা যাবে না পাকিস্তানে। পাকিস্তানের মিনিস্ট্রি অব ন্য়াশানাল হেলথ সার্ভিসেসের অধীন  ডিরেক্টরেট অব টোবাকো কন্ট্রোল জানিয়েছে, ২০০২ সালের প্রোহিবিশন অব স্মোকিং অ্য়ান্ড প্রোটেকশন অব নন-স্মোকার্স হেলথ অর্ডিন্য়ান্স অনুযায়ী তামাকজাত পণ্য়ের বিজ্ঞাপনের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে সংবাদপত্র ও বৈদ্য়ুতিক মাধ্য়মে। যদিও সিগারেট বিক্রি হয় এমন দোকানের আশেপাশে সিগারেট কোম্পানিগুলো তাদের পোস্টার দিতে পারত এতদিন। এবার থেকে আর তা-ও দেওয়া যাবে না।

 

আগে, এ-ফোর সাইজের একটা বিজ্ঞাপনী পোস্টার সাঁটিয়ে দিতে পারতো কোম্পানিগুলো, মূলত উঠতি বয়সের ছেলেদের আকৃষ্ট করতে। সিগারেটের দোকানগুলোর আশপাশে। এবার সেই ধরনের পোস্টার তো বন্ধ হলই। সেইসঙ্গে অনলাইনেও আর সিগারেটের কোনও বিজ্ঞাপনী সম্প্রচার করা যাবে না বলে নির্দেশ দিল পাকিস্তানের ডিরেক্টরেট অব টোবাকো কন্ট্রোল। ডা. সিরাজের কথায়, "এই নিষেধাজ্ঞা গোটা দেশ জুডে়ই প্রযোজ্য় হবে। কোথাও এই নিষেধ লঙ্ঘন হলে কঠোর ব্য়বস্থা নেওয়া হবে। ফেডারেল বোর্ড অব রেভিনিউ এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছে।"

 

একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদন বলছে, তামাকজাত দ্রব্য় ব্য়বহার করার জন্য় পাকিস্তানে প্রতিবছর ১লক্ষ ৬৬ হাজার মানুষ ক্য়ানসারে আক্রান্ত হন। জানা গিয়েছে, এবার থেকে সিগারেট কোম্পানিগুলো কোনও অনুষ্ঠান স্পনসরও করতে পারবে না। করলে তা বেআইনি হবে। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সিগারেট কোম্পানিগুলো আর কোনওভাবেই বিজ্ঞাপন দিতে পারবে না। এই আধিকারিকের কথায়, এই পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবা  হচ্ছিল অনেকদিন ধরেই।