ফিজিকাল কসমোলজির তাত্ত্বিক আবিষ্কার ও সূর্যের মতো একটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করা সৌরজগতের বাইরের একটি গ্রহ - এই দুই আবিষ্কারেই মহাজগত সম্পর্কে মানুষের বরাবরের ধারণাটা বদলে গিয়েছে। আর এর জন্যই এই বছর পদার্থবিদ্যা বা ফিজিক্সে নোবেল জিতে নিলেন তিন বিজ্ঞানী - জেমস পিবলস, মাইকেল মেয়র ও দিদিয়ের কেলোজ।

কানাডিয়ান-মার্কিন পদার্থবিদ জেমস পিবলস সারা জীবন কসমস নিয়েই কাজ করেছেন। লক্ষ-লক্ষ ছায়াপথ ও ছায়াপথের পুঞ্জ নিয়ে তিনি চর্চা করেছেন। দুই দশক ধরে একটু একটু করে তিনি মহাজগতের তাত্ত্বিক কাঠামো তৈরি করেছেন। যা বিগ ব্যাং থেকে বর্তমান দিন পর্যন্ত মহাজগতের ইতিহাসের আধুনিক ধারণা দিয়েছে।

অপরদিকে দুই সুইস মহাকাশ বিজ্ঞানী মাইকেল মেয়র ও দিদিয়ের কেলোজ প্রথম সৌরজগতের বাইরে সূর্যের মতো একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হওয়া একটি গ্রহ আবিষ্কার করেছিলেন। তারপর থেকে তাদের পথ ধরে আকাশগঙ্গা ছায়াপথে ৪০০০টিরও বেশি এক্সোপ্ল্যানেট আবিষ্কার হয়েছে। এখনও প্রায় প্রতিদিনই অদ্ভূত অদ্ভূত কিছু গ্রহ আবিষ্কার হচ্ছে।

এই দুই আবিষ্কারই মহাজগত সম্পর্কে মানুষের ধারণা অনেকটাই বদলে দিয়েছে। আর সেই কারণেই এই বছরক তাঁদের সম্মানিত করছে নোবেল কমিটি।  

সোমবার মেডিসিন বা শারীরবিদ্যা বিভাগে আরও তিন বিজ্ঞানী - উইলিয়াম জি কেইলিন জুনিয়র, স্যার পিটার জে ব়্যাটক্লিফ, গ্রেগ এল সেমেঞ্জা-র নোবেল জয়ের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। এখনও বাকি কেমিস্ট্রি, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা।