সোমবার নরেন্দ্র মোদী সরকার সংবিধানের ৩৭০ ধারা রদ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার ফলে কাশ্মীর আর বিশেষ কোনও মর্যাদা লাভ করবে না। এরপর জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের পরিবর্তে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত হওয়ার পথে।  এই পরিস্থিতিতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে শান্তি বজায় রাখতে নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাষ্ট্রসঙ্ঘ। 

এদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফে, জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তে পর জম্মু ও কাশ্মীরে এবং ভারত-পাক সীমান্তে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় রাখার আবেদন জানানো হয়েছে। কারণ জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে ভারত সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার ফলস্বরূপ  ভারত ও পাকিস্তান-এর মধ্যে সম্পর্ক যে আরও খানিকটা জটিল আকার দারণ করতে পারে সেটাই আশঙ্কা করছে আন্তর্জাতিক মহল। 

এদিন হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারত-পাক দু-পক্ষের তরফ থেকেই লাইন অফ কন্ট্রোলে যেন শান্তি বজায় রাখা হয়। প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে আরও জানানো হয় যে, ভারত-এর তরফ থেকে এই বিষয়টিকে 'কঠোরভাবে একটি আভ্যন্তরীণ বিষয়' বলে বর্ণনা করা হয়েছে। 

অন্যদিকে কাশ্মীর প্রসঙ্গে ভারত-পাক সম্পর্ক নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন রাষ্ট্রসঙ্ঘও। রাষ্ট্রসঙ্ঘেরর সচিবালয়ের তরফেও ভারত ও পাকিস্তানকে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে। প্রসঙ্গত জম্মু ও কাশ্মীর প্রসঙ্গে এই সিদ্ধান্তকে রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রস্তাব বিরোধী বলে দাবি করেছিল পাকিস্তান। পাক বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছিল,  কাশ্মীর সমস্যা একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা। আর সেই সমস্যার অংশ পাক সরকারও। আর সেই কারণেই কাশ্মীর নিয়ে ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনাও করে পাকিস্তান।