Damascus Explosions: ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সিরিয়া সফরের মধ্যেই পরপর বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল রাজধানী দামাস্কাস। সিরিয়ার রাজধানী শহরের কেন্দ্রীয় এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ হোটেলের কাছে অল্প সময়ের ব্যবধানে অন্তত তিনটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
Damascus Explosions: ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সিরিয়া সফরের মধ্যেই পরপর বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল রাজধানী দামাস্কাস। সিরিয়ার রাজধানী শহরের কেন্দ্রীয় এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ হোটেলের কাছে অল্প সময়ের ব্যবধানে অন্তত তিনটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সিরিয়ার সরকারি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। সিরিয়া সফরে এসে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ যে হোটেলে উঠেছেন, সেই হোটেলের সামনেই এই ধারাবাহিক বিস্ফোরণগুলি হয় বলে খবর। তবে বিস্ফোরণের সময় তিনি ওই অঞ্চলে ছিলেন না।

জঙ্গি হামলার সময় সিরিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন ম্যাক্রোঁ
সিরিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে সরকারি বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ। প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেস বিস্ফোরণস্থল থেকে অনেকটাই দূরে হওয়ায় তাঁর বা তাঁর প্রতিনিধিদলের নিরাপত্তায় কোনও তাৎক্ষণিক হুমকির খবর মেলেনি। সিরিয়ার সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম বিস্ফোরণের পর একই এলাকার আরও কয়েকটি স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। বিস্ফোরণের একটি স্থান সিরিয়ার পর্যটন মন্ত্রকের কাছাকাছি বলেও জানা গিয়েছে। পর্যটন মন্ত্রকের দফতরও ওই হোটেল সংলগ্ন এলাকাতেই অবস্থিত।
দেখুন ভিডিও
বিস্ফোরণের পিছনে কী উদ্দেশ্য
এই বিস্ফোরণের উদ্দেশ্য সম্ভবত ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ঐতিহাসিক সিরিয়া সফরে বিঘ্ন ঘটানো। বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর কোনও বড় পশ্চিমি দেশের নেতার এটাই প্রথম সিরিয়া সফর। তবে ম্যাক্রোঁ সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন। তাঁর কূটনৈতিক সফরও পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চলছে। ম্যাক্রোঁর সফরের সময় এমন বিস্ফোরণের ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিনের সংঘাতের পরও সিরিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি যে এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি, এই ঘটনায় তা ফের স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিস্ফোরণে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা, হামলার নেপথ্যের কারণ এবং তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে পারে সিরিয়ার প্রশাসন।
দেখুন ভিডিও
কী বলছে প্রশাসন
ঘটনার পরই দ্রুত এলাকা ঘিরে ফেলে সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী। বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। জরুরি পরিষেবার কর্মীরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেছেন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। এই বিস্ফোরণের কারণ কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্ত শুরু করেছে সিরিয়ার প্রশাসন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাকে পরিকল্পিত বিস্ফোরণ বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গিগোষ্ঠী বা সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।


