দুবাই থেকে ইজরায়েলের তেল আভিভগামী একটি ফ্লাইদুবাই বিমান বুধবার আচমকাই গতিপথ বদলে সৌদি আরবে অবতরণ করে। বিমানে জরুরি সংকেত পাঠানো হয়েছিল। ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য বিমান ছিনতাইয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়। তবে পরে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দফতর জানায়, এটি হাইজ্যাকিংয়ের ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে না।
দুবাই থেকে ইজরায়েলের তেল আভিভগামী একটি ফ্লাইদুবাই বিমান বুধবার আচমকাই গতিপথ বদলে সৌদি আরবে অবতরণ করে। বিমানে জরুরি সংকেত পাঠানো হয়েছিল। ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য বিমান ছিনতাইয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়। তবে পরে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দফতর জানায়, এটি হাইজ্যাকিংয়ের ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে না। জানা গিয়েছে, ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের দিকে যাচ্ছিল। সৌদি আরবের আকাশসীমার উপর দিয়ে যাওয়ার সময় বিমানটি জরুরি সংকেত পাঠায় এবং আচমকা গতিপথ পরিবর্তন করে। এরপর বিমানটিকে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। ইজরায়েলি নিরাপত্তা সূত্রের খবর, বিমানটির গতিবিধির উপর নজর রাখা হচ্ছিল এবং নিরাপত্তার কারণে ইজরায়েলি যুদ্ধবিমানও আকাশে ওড়ে। পরে বিমানটি নিরাপদে সৌদি আরবে অবতরণ করে। প্রাথমিক রিপোর্টে জরুরি সংকেতের কারণে বিমান ছিনতাইয়ের আশঙ্কা তৈরি হলেও, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দফতর স্পষ্ট করেছে যে ঘটনাটি হাইজ্যাকিং বলে মনে করা হচ্ছে না। ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
'দ্য টাইমস অফ ইজরায়েল'-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ১৮০ জন যাত্রী বহনকারী বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ বিমানটি প্রথমে '৭৭০০' স্কোয়াউক কোড (squawk code) পাঠায়, যা সাধারণ জরুরি অবস্থার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড। এর কয়েক সেকেন্ড পরেই বিমানটি '৭৫০০' কোড পাঠায়, যা বিমান চলাচলে সম্ভাব্য ছিনতাইসহ যে কোনও ধরনের বেআইনি হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত বহন করে।
কিছু রিপোর্টে বিমানের ভিতরে ক্রু সদস্যদের মধ্যে বচসা বা সংঘর্ষের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। তবে এই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত এখনও চলছে এবং ঘটনার সম্পূর্ণ কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশিত হয়নি। ‘টাইমস অফ ইজরায়েল’ তাদের এক আপডেটে জানিয়েছে যে, ছিনতাইয়ের কোনও ঘটনা ঘটেনি বা ছিনতাইয়ের কোনও প্রচেষ্টা ছিল না বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, ককপিটে পাইলটদের মধ্যে তীব্র বাক-বিতণ্ডার সময় বিমানের জরুরি সংকেতটি চালু হয়ে গিয়েছিল; তবে গতিপথ পরিবর্তন এবং জরুরি সংকেত পাঠানোর প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
