- Home
- World News
- International News
- Govt Flat: সরকারি কর্মচারীদের থাকার জন্য তৈরি হবে ১৮৪টি ফ্ল্যাট, ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ
Govt Flat: সরকারি কর্মচারীদের থাকার জন্য তৈরি হবে ১৮৪টি ফ্ল্যাট, ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ
সরকারি কর্মচারীদের আবাসন সমস্যা মেটাতে উদ্যোগ সরকারের। এবার প্রায় ২০০ কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা হবে আবাসিক ভবন। সেখানে থাকছে মোট ১৮৪টি ফ্ল্যাট। মূলত সরকারি চাকরির ১০ম থেকে ১২তম গ্রেডের কর্মীদের আবাসনের সুবিধা বাড়াতেই এই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

সরকারি কর্মচারীদের আবাসন সমস্যা মেটাতে বড় উদ্যোগ সরকারের। এবার প্রায় ২০০ কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা হবে তিনটি বহুতল আবাসিক ভবন। সেখানে থাকছে মোট ১৮৪টি ফ্ল্যাট। মূলত সরকারি চাকরির ১০ম থেকে ১২তম গ্রেডের কর্মীদের আবাসনের সুবিধা বাড়াতেই এই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে এই প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডির জিগাতলায় সরকারি কলোনি এলাকায় তৈরি হবে নতুন তিনটি বহুতল আবাসিক ভবন। প্রতিটি ভবন হবে ১৩ তলা। প্রতিটি ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ৮৫০ বর্গফুট। সব মিলিয়ে তৈরি হবে ১৮৪টি ফ্ল্যাট। এই প্রকল্পের জন্য প্রায় ২.৪৪ একর জমি নির্ধারণ করা হয়েছে। জিগাতলা সরকারি কলোনির পুরনো ১, ২, ৩ ও ৪ নম্বর ভবন ভেঙে সেখানে নতুন আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হবে।
পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তর এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পের সম্পূর্ণ অর্থ দেবে সরকার।
এর আগে ঢাকার মিরপুরের ৬ নম্বর সেকশনের কাঠের কারখানা এলাকায় পাঁচটি এবং শিয়ালবাড়ি এলাকায় ছ'টি বহুতল আবাসিক ভবন তৈরি করা হয়েছিল। প্রতিটি ভবন ছিল ১৪ তলা। এছাড়া নোয়াখালী ও নারায়ণগঞ্জেও সরকারি কর্মীদের জন্য ১৫টি বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।
তবে নতুন প্রকল্পের পাশাপাশি পুরনো আবাসনগুলির যথাযথ ব্যবহার ও বরাদ্দ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান জানিয়েছেন, সরকারি কর্মীদের আবাসন সংকট থাকলেও আগে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন, নির্মিত ভবনগুলি কেন খালি পড়ে থাকছে বা যথাযথভাবে বরাদ্দ হচ্ছে না। উল্লেখ্য, একনেকের ওই বৈঠকে মোট ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে ১১টি নতুন এবং দুটি সংশোধিত প্রকল্প।