Nepal Flood Situation: বিপদ যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না নেপালের। ফের হড়পা বানে বিপর্যস্ত নেপাল। ঘরছাড়া বহু পরিবার। কবে ঘটেছে এই ঘটনা? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।
Nepal Flood Situation: নেপালে ফের প্রাকৃতিক বিপর্যয়। গোরখা জেলার উত্তরাঞ্চলে বুড়িগণ্ডকী নদীতে আচমকা বন্যার জেরে ভয়াবহ পরিস্থিতি। প্রবল জলস্রোতে পেয়ু ও বগর গ্রামে ভেসে গিয়েছে অন্তত ৩৫টি বাড়ি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক বসতি ও বাজার এলাকা। বন্যার জল বাড়তে থাকায় প্রাণ বাঁচাতে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, এই ঘটনায় কোনও প্রাণহানির খবর নেই। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন। নেপালের গোরখা জেলার চুমনুব্রি গ্রামীণ পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বুড়িগণ্ডকী নদীর জলস্রোত আচমকা বেড়ে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রবিবার ভোর প্রায় চারটে নাগাদ বন্যার জল ঢুকে পড়ে পেয়ু ও বগর গ্রামে। প্রবল স্রোতে ভেসে যায় অন্তত ৩৫টি বাড়ি।
ফের বন্যা বিধ্বস্ত নেপাল:-
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, উঙ্গিলুং নদী থেকে আসা অতিরিক্ত জলের জেরেই বুড়িগণ্ডকী নদীতে এই হড়পা বান দেখা দিয়েছে। নদীর জল বাড়তে থাকায় বাসিন্দারা দ্রুত বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন। বন্যার প্রভাব পড়েছে দোভান, ঘাট্টেখোলা, জগৎ ও সল্লেরি এলাকাতেও। চুমনুব্রি-৩ এলাকার বাজারে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে। পাশাপাশি কেরাউজা যাওয়ার সংযোগকারী একটি ঝুলন্ত সেতুও বন্যার জলে ভেসে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কায় সিদ্রিবাস ও ধার্চে গ্রামীণ পুরসভার একাধিক এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখনও পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গত অগাস্ট মাসে বন্যার ভয়াবহ রূপ দেখে নেপাল। নেপালের বিধ্বংসী হড়পা বানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১,৩৫৫ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (NDRRMA) এই নতুন পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। ভোটকোশী নদীর বিধ্বংসী বন্যায় রাসুয়া জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বহু মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি বাড়িঘর, রাস্তা, সেতু, জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো ভেঙে পড়ে। এই বন্যার প্রভাব ত্রিশূলী নদীর পার্শ্ববর্তী নুওয়াকোট এবং ধাডিং-এর মতো এলাকাতেও ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে এখনও বহু মানুষ ঘরছাড়া। পরিবহন, বিদ্যুৎ, জল সরবরাহ এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। বর্তমানে সরকারি তরফে ঘোষণা করা হয়েছে যে, আপাতত উদ্ধারকার্য বন্ধ থাকবে। সরকার রাস্তাঘাট নির্মাণ, সমস্তকিছু ঠিকঠাকের কাজে এবার মন দেবে।


