এই রোগটি হরিণের দেহে ছড়িয়ে পড়তে থাকলেও এখন এটা মানবজাতির জন্য ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে বলে জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

'জম্বি ডিয়ার ডিজিজ' ওরফে ক্রনিক ওয়েস্টিং ডিজিজ (CWD) সম্পর্কে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীরা, যা ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ইয়েলোস্টোন ন্যাশনাল পার্ক, ওয়াইমিং-এ পাওয়া একটি হরিণের মৃতদেহ পরীক্ষা করে নভেম্বর মাসে এই রোগের হদিশ পাওয়া গেছে। 

-

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ক্রনিক ওয়েস্টিং ডিজিজ (CWD) - এর দ্বারা সাধারণত স্বাস্থ্যকর মস্তিষ্কের প্রোটিনগুলি ভাইরাস দ্বারা অস্বাভাবিকভাবে ভাঁজ হয়ে যায়, যা এক ধরনের প্রোটিনও বটে। এটি মানুষ এবং প্রাণী , উভয়ের দেহেই রোগ সৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি করে। এই অত্যন্ত সংক্রামক রোগগুলি সংক্রামিত প্রাণীর মাংস খাওয়ার মাধ্যমে মানুষের দেহে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

-

জম্বি ডিয়ার (Zombie Deer) রোগের কিছু সাধারণ লক্ষণ হল হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়া অনিদ্রা বা ডিমেনশিয়া, হ্যালুসিনেশন (ভয়ের স্বপ্ন দেখতে থাকা), হাঁটা ও কথা বলতে অসুবিধা, বিভ্রান্তি, ক্লান্তি এবং পেশী শক্ত হয়ে যাওয়া। এই রোগটি হরিণের দেহে ছড়িয়ে পড়তে থাকলেও এখন এটা মানবজাতির জন্য ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে বলে জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। উত্তর আমেরিকার জনসংখ্যা জুড়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে জম্বি ডিয়ার ডিজিজ। 

-

CWD রোগে আক্রান্ত হলে মানুষের হাঁটাচলা জম্বির মতো এলোমেলো এবং বিকৃত হয়ে যাওয়ার কারণে গবেষকরা একে 'জম্বি ডিয়ার ডিজিজ' বলে অভিহিত করেছেন। CWD দীর্ঘকাল ধরে হরিণকে প্রভাবিত করে বলে জানা গেছে। গত মাসে ইয়েলোস্টোন-এ এর প্রথম ঘটনার আবিষ্কার হতেই গবেষকদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়েছে যে, এই মারাত্মক রোগটি একদিন মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

Scroll to load tweet…