শুক্রবার আইপিএ ২০১৯-এর দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে দিল্লি ক্যাপিটাল্সকে ৬ উইকেটে পরাজিত করে আরও একবার ফাইনালে পা রেখেছে চেন্নাই সুপার কিংস। প্রথম কোয়ালিফায়ারে ধোনির দলকেই পরাজিত করে আগেই ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছিল রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ফলে আরও একবার আইপিএল ফাইনালের লাইনআপ - সিএসকে বনাম এমআই।

এই নিয়ে চার-চার'বার আইপিএল-এর সবচেয়ে সফল এই দুই দল শিরোপার জেতার শেষ লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে। এর আগে ২০১০, ২০১৩ ও ২০১৫ সালে আইপিএল ফাইনাল খেলেছিল সিএসকে ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। চতুর্থবার লড়াইয়ের আগে একবার স্মৃতি-সরণি ধরে ঘুরে আসা যাক আগের সেই তিন ফাইনালে। দেখে নেওয়া যাক কী ঘটেছিল আগের তিনবারে।

আইপিএল ফাইনাল ২০১০, মুম্বই - সিএসকে জয়ী

সুরেশ রায়নার দুরন্ত অপরাজিত ৫৭ রানের জোরে আগে ব্য়াট করে ১৬৮ রান করেছিল সিএসকে। রান তাড়া করতে নেমে তখনকার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক সচিন তেন্ডুলকর ৪৮ রান করলেও তারপরই ধস নামে মুম্বই ব্য়াটিং লাইন আপে। শেষের দিকে ১০ বলে ২৭ রান করে পোলার্ড আশা জাগালেও ধোনির তুখোড় অধিনায়কত্বে তাদের প্রথম আইপিএল খেতাব জিতে নিয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস।

স্কোর: সিএসকে ১৬৮/৫ (২০), এমআই: ১৪৬/৯ (২০)

আইপিএল ফাইনাল ২০১৩, কলকাতা - মুম্বই ইন্ডিয়ান্স জয়ী

১৫ ওভারে মাত্র ১০০ রান তুলে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুকছিল মুম্বই ইন্ডি.য়ান্স। সেখান থেকে দলকে কিছুটা ভদ্রস্থ অবস্থায় পৌঁছে দিয়েছিলেন পোলার্ড (৩২ বলে ৬০*)। মুম্বই ১৪৮ রান তোলে। কিন্তু, চেন্নাইয়ের টপ অর্ডারকে শুইয়ে দিয়েছিলেন মালিঙ্গা ও মিচেল জনসন। প্রথম ওভারেই মাত্র ৩৯ রানে ৬ উইকেট পৌঁছে যায়। সেখান থেকে দলকে রক্ষা করতে পারেননি স্বয়ং ধোনি (৬৩*)-ও।

স্কোর: এমআই: ১৪৮/৯ (২০), সিএসকে ১২৫/৯ (২০)

আইপিএল ফাইনাল ২০১৫, কলকাতা - মুম্বই ইন্ডিয়ান্স জয়ী

অধিনায়ক রোহিত শর্মা (২৬ বলে ৫০) ও লেন্ডল সিমন্স (৪৫ বলে ৬৮)-এর ঝোড়ো ব্য়াটিংয়ে মুম্বইয়ের স্কোর ২০০ ছাপিয়ে গিয়েছিল। আইপিএল ফাইনালে প্রথম ইনিংসে ২০০ রান তুলে দেওয়া মানে সেখানেই অর্ধেক ম্যাচ খতম। হয়েওছিল তাই। ৪১ রান আগে শেষ করেছিলেন ধোনিরা।

স্কোর: এমআই: ২০২/৫ (২০), সিএসকে ১৬১/৮ (২০)

আইপিএল ফাইনাল ২০১৯, হায়দরাবাদ - ?

চলতি আইপিএল-এ তিনবার সাক্ষাতে তিনবারই চেন্নাই সুপার কিংস-কে পরাজিত করেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। যে রেকর্ড আইপিএল আর কোনও দলের নেই। কিন্তু ফাইনাল সম্পূর্ণ অন্য ম্যাচ। শেষ হাসিটা কারা হাসে তা জানার জন্য ম্যাচের শেষ বল পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে।