একদিকে জয়ের হ্যাটট্রিক, অপরদিকে হারের। আইপিএল রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে হারাল চেন্নাই সুপার কিংস। ম্য়াচে প্রথমে ব্যাট করে ২২০ রানের বিশাল স্কোর করে সিএসকে। ৬৪ ও ৯৫ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়। রান তাড়া করতে নেমে ৩১ রানে ৫ উইকেট হারালেও, কেকেআরকে ম্য়াচে ফেরান আন্দ্রে রাসেল ও শেষে জয়ের আশা তৈরি করেছিলেন প্যাট কামিন্স। রাসেল বিধ্বংসী ৫৪ ও কামিন্স ঝোড়ো ৬৪ রানের ইনিংস খেললেও শেষ রক্ষা হয়নি। ২০২ রানে শেষ হয় কেকেআরের ইনিংস। ১৮ রানে ম্য়াচে জয় পায় সিএসকে।

 

 

ম্যাচে টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন কেকেআর অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান। সিএসকের হয়ে ওপেনিং জুটিতে দুরন্ত শুরু করেন ফাফ ডুপ্লেসি ও এতদিন অফ ফর্মে থাকা রুতুরাজ গায়কোয়াড়। ওপেনিং জুটিতেই ১১৫ রানের পার্টনারশিপ করেন তারা। একের পর এক অনবদ্য শট খেলে কেকেআর বোলারদের নাজেহাল করে তোলে ডুপ্লেসি ও রুতুরাজ। নিজের হাফ সেঞ্চুরিও করেন রুতুরাজ। ৬৪ রান করে আউট হন তিনি। অপরদিক থেকে নিজের ইনিংস চালিয়ে যান ফাফ ডুপ্লেসি। মইন  আলি ২৫ ও ধোনি ১৭ রানের ছোট কিন্তু ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। শেষে ২০ ওভারে ২২০ রান করে সিএসকে। ৯টি চার ও ৪টি ছয়ের সাহায্য়ে ৯৫ রান করে নট আউট থাকেন ডুপ্লেসি। 

 

 

রান তাড়া করতে ৩১ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে লজ্জাজনক স্কোরে অলআউট হওয়ার ভ্রুকুটি ছিল কেকেআরের সামনে। প্যাভেলিয়নে ফেরত যান নীতিশ রানা, শুভমান গিল, রাহুল ত্রিপাঠি, ইয়ন মর্গ্যান ও সুনীল নারিন। সেই সময় কেকেআরের ইনিংসের রাশ ধরেন আন্দ্রে রাসেল ও দীনেশ কার্তিক। ঝোড়ো গতিতে ৮১ রানের পার্টনারশিপ করেন তারা। ৩টি চার ও ৬টি ছয়ের সাহায্যে ২২ বলে ৫৪ রানের ইনিংস খেলে আউট হন রাসেল। এরপর দীনেশ কার্তিক ৪০ রান করে আউট হওয়ায় সহজেই ম্যাচ জয়ের আশা করছিল সিএসকে। একদিক থেকে উইকেট পড়লেও বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন প্যাট কামিন্স। ৩৪ বলে ৬৪ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। মাঝে স্যাম কারনের এক ওভারে ৩০ রান নেন কামিন্স। তবে শেষ পর্যন্ত উইকেটের অভাবে দলকে জয় এনে দিতে পারেননি তিনি। ২০২ রানে অলআউট হয় কেকেআর। এই ম্য়াচ জয়ের ফলে লিগ টেবিলে শীর্ষ স্থানে উঠে এল সিএসকে।