গুরুত্বহীন টস-
আরও একবার চলতি আইপিএলে টসজয়ী অধিনায়কের দল হেরে মাঠ ছাড়লো। খেলা শেষ ওভার অবধি গড়ালেও ম্যাচের ভাগ্যে কি লেখা আছে তা বেশিরভাগ দর্শকই অনেক আগে বুঝে গিয়েছিলেন। 

বড় রান করতে ব্যর্থ আরসিবি ওপেনারেরা-
ভালো শুরু করেও নিজেদের ইনিংসকে বড় রানে পরিণত করতে ব্যর্থ হন আরসিবি ওপেনারদ্বয়। ফিঞ্চ ব্যাক্তিগত ২০ রানে এবং দেবদূত ব্যাক্তিগত ১৮ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। 

কোহলির স্ট্রাইক রেট-
বিরাট কোহলি চলতি আইপিএলে দু-একটি ভালো ইনিংস খেললেও এখনও পুরোপুরি ফর্মে ফেরেননি। গতকালও বড্ড স্লো খেলে ৩৯ বলে ৪৮ রান করেন। আউট হন মহম্মদ সামির বলে। 

দেরিতে ডিভিলিয়ার্স-
এদিন ডিভিলিয়ার্সের বদলে ওয়াশিংটন সুন্দর এবং শিবম দুবেকে ৪ এবং ৫ নম্বরে নামতে দেখা যায়। দুজনেই চোখে পড়ার মত কিছু করতে পারেননি। উল্টে দেরিতে নেমে ৫ বলে ২ রান করে আউট হন এবি ডিভিলিয়ার্স। 

মারকুটে মরিস-
শেষপর্যন্ত যে আরসিবির স্কোর ১৭১ অবধি পৌঁছয়, তার মূল কারণ ক্রিস মরিস। সাত নম্বরে নেমে তিনটি ছয় ও একটি চারের সাহায্যে ৮ বলে ২৫ রানের ঝোড়ো একটি ইনিংস খেলেন তিনি। 

পাঞ্জাবের ভালো বোলিং-
পাঞ্জাবের প্রত্যেক বোলারই গতকাল নিজের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করেছেন। তাদের সবথেকে সফল বোলার মুর্গ্যান অশ্বিন। চার ওভারে ২৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন তিনি। অপরদিকে মার খেলেও দু উইকেট নেন মহম্মদ সামিও। 

বিধ্বংসী ওপেনিং জুটি-
লোকেশ রাহুল এবং মায়াঙ্ক আগরওয়াল যেন গতকাল তাদের পুরোনো ফর্ম ফিরে পেলেন। তাদের মাত্র ৮ ওভারে ৮০ রানের পার্টনারশিপ ম্যাচ কার্যত ছিনিয়ে নেয় আরসিবির হাত থেকে। ব্যাক্তিগত ৪৫ রানের মাথায় চাহালের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে আউট হন মায়াঙ্ক। 

মেজাজে ফিরলেন গেইল-
গতকাল চলতি আইপিএলে নিজের প্রথম ম্যাচটি খেলতে নেমেছিলেন ক্রিস গেইল। প্রথম ১০-১৫ বলে ছন্দ হাতড়ে বেড়ালেও ইনিংসের শেষদিকে পুরোনো ছন্দে গেইল। ১ টি চার, ৫ টি ছক্কা সহযোগে ৪৫ বলে ৫৩ রান করেন তিনি। 

পরিণত রাহুল-
কালকের ম্যাচের সেরা হয়েছেন কে এল রাহুল। আগরওয়ালের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের সময় তিনি ছিলেন শান্ত। উল্টোদিকে যখন গেইল প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে বড় শট খেলতে অস্বস্তিতে ভুগছেন তখন বড় শট খেলে স্কোরবোর্ড সচল রাখেন তিনি। শেষপর্যন্ত ক্রিজে থেকে ৬১ রান করে দলের জয় নিশ্চিত করে আসতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন তিনি। 

ব্যাঙ্গালোরের বোলিং-
গতকাল ব্যাটের পর বল হাতেও ছন্দে ছিলেন মরিস। কিন্তু উইকেট নিতে ব্যর্থ হন তিনি। একইভাবে কৃপণ বোলিং করে উইকেট তুলতে ব্যর্থ হন উদানা ও নবদীপ সাইনি। উইকেট না পাওয়ায় এই তিনজনকে সামলে সিরাজ, চাহাল ও সুন্দরকে পিটিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে ফেলে পাঞ্জাব।