অন্যান্য মরশুমের মতো এই মরশুমেও শক্তিশালী দেখাচ্ছে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবকে। তাদের সুন্দর ক্রিকেটের জন্য শুধু পাঞ্জাবে নয়, সারা ভারতবর্ষ জুড়েই তাদের অনেক ভক্ত রয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও আইপিএলের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাবে যে ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে দেখলে ভয়ংকর আনপ্রেডিক্টেবল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। তারা কোন বছর খুব ভালো খেললে পরের বছর এতটাই খারাপ পারফরম্যান্স করে যে মাঠে তাদের দেখে চেনা যায় না। ১৩ তম আইপিএল খেলতে নামার আগে পাঞ্জাব চাইবে ধারাবাহিকতার সমস্যা মিটিয়ে প্রথমবারের জন্য আইপিএল ট্রফি টি ঘরে তুলতে। এর আগে ২০১৪ সালে ফাইনালে উঠলেও সেবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে হারতে হয়েছিল তাদের। কাজে আসেনি তৎকালীন পাঞ্জাব উইকেটরক্ষক ঋদ্ধিমান সাহার শতরান। এইবার সমস্ত বাঁধা কাটিয়ে পুনরায় সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে চায় প্রীতি জিন্টার দল। ৩ মরশুম পরে দলে ফিরেছেন মারকুটে অজি ব্যাটসম্যান গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। বোলিং বিভাগকে শক্তিশালী করতে দলে আনা হয়েছে ক্যারিবিয়ান পেসার শেলডন কটরেল ও ২০১৮ সালে অনুর্ধ ১৯ বিশ্বকাপ জেতা ভারতীয় বোলার ঈশান পোরেলকে। এইবার দেখার তাদের সংযুক্তিতে কতটা লাভবান হয় পাঞ্জাব

এই বছর তাদের প্রথম ম্যাচ খেলতে হবে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে তাদের ঘরের মাঠে। তাদের সম্পুর্ন ফিক্সচারটি নিচে দেওয়া হলো

১. বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস। ৩০শে মার্চ (অ্যাওয়ে)
২. বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ৪ঠা এপ্রিল (হোম)
৩. বনাম মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ৮ই এপ্রিল (হোম)
৪. বনাম চেন্নাই সুপার কিংস। ১১ই এপ্রিল (অ্যাওয়ে)
৫. বনাম  রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ১৪ই এপ্রিল (হোম) 
৬. বনাম চেন্নাই সুপার কিংস। ১৭ই এপ্রিল (হোম)
৭. বনাম মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ২০শে এপ্রিল (অ্যাওয়ে)
৮. বনাম কলকাতা নাইট রাইডার্স। ২৩শে এপ্রিল (অ্যাওয়ে)
৯. বনাম কলকাতা নাইট রাইডার্স। ২৬শে এপ্রিল (হোম)
১০. বনাম রাজস্থান রয়েলস। ২৯শে এপ্রিল (অ্যাওয়ে)
১১. বনাম রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ৩রা মে (অ্যাওয়ে)
১২. বনাম রাজস্থান রয়েলস। ৮ই মে (হোম)
১৩. বনাম  সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ১২ই মে (অ্যাওয়ে)  
১৪. বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস। ১৬ই মে (হোম)