আইপিএলে সুপার সানডের ডবল হেডারের দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথম ব্যাটিং করে ১৭৮ রান করল কিংস ইলেভেন পঞ্জাব। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৩ রানের ইনিংস খেলেন খোদ অধিনায়ক কেএল রাহুল। এদিন টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের অধিনায়ক কেএল রাহুল। খুব আক্রমণাত্বকভাবে এদিন ইনিংসের শুরু করেননি পঞ্জাবের দুই ওপেনার কেএল রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ওপেনিং জুটিতে ৬৮ রানের পার্টনারশিপ করেন দুজন। নবম ওভারে প্রথম উইকেট পরে কিংস ইলেভেনের। পীযুষ চাওলার বলে আউট বন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ২৬ রান করেন তিনি। 

এরপর ক্রিজে আসেন মনদ্বীপ সিং। অপরদিক থেকে অন্য়ান্য ম্যাচের তুলনায় একটু ধীর গতিতেই ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান কেএল রাহুল। মনদ্বীপ সিংয়ের সঙ্গে ৩৩ রানের পার্টনারশিপ করেন কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের অধিনায়ক। কিন্তু ১২ তম ওভারে রবীন্দ্র জাদেজার বলে আউট হন মনদ্বীপ সিং। ১৬ বলে ২৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। এরপর ক্রিজে আসেন ক্যারেবিয়ান তারকা নিকোলাস পুরান। ১৪ ওভার শেষে পঞ্জাবের স্কোর দাঁড়ায় ১১৪ রানে ২ উইকেট। এরপর রানের গতিবেগ বাড়ান কেএল রাহুল। নিজের অর্ধশতরানও করেন পঞ্জব অধিনায়ক।  ১৫ তম ওভারে আসে ১৬ রান। ওভের শেষে স্কোর দাঁড়ায় ১৩০ রানে ২ উইকেট। 

শেষ ৫ ওভারে রানে গতিবেগ আরও বাড়ানোর চেষ্টা করে নিকোলাস পুরান ও কেএল রাহুল জুটি। আক্রমণাত্বক শট খেলাও শুরু করেন তারা। ১৭ তম ওভারে ১৫০ রানের স্কোরে পৌছে যায় কিংস ইলেভেন পঞ্জাব স্কোর। ওভার শেষে স্কোর দাঁড়ায় ১৫২ রানে ২ উইকেট। কিন্তু ১৮ ওভারের প্রথম বলেই শার্দুল ঠাকুরের বলে আউট হন নিকোলাস পুরান। ১৭ বলে ৩৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। ওভারের দ্বিতীয় বলে রাহুলকে আউট করে চেন্নাইকে ম্য়াচে ফেরান শার্দুল। ৬৩ রান করে আউট হন কেএল রাহুল। ম্যাক্সওয়েল ও সরফরাজ খান ক্রিজে এসে দ্রুত রান তুলতে একটু সমস্যায় পড়েন। ১৯ ওভার শেষে পঞ্জাবের স্কোর দাঁড়ায় ১৬৬ রানে ৪ উইকেট। শেষে ওভারে আসে ১২ রান। ২০ ওভার শেষে পঞ্জাবের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ১৭৮। সিএসকের টার্গেট ১৭৯।