ফের শারজায় হাইস্কোরিং ম্যাচ। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২০৮ রান করল রোহিত শর্মার দল। মুম্বইয়ের হয়ে রানে ফেরার পাশাপাশি অনবদ্য ৬৭ রানের ইনিংস খেললেন প্রোটিয়া তারকা কুইন্টন ডিকক। এদিন টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। কিন্তু ব্য়াট হাতে রবিবার নিরাশ করেন হিটম্যান। প্রথম ওভারেই মাত্র ৬ রান করে সন্দীপ শর্মার বলে আউট হন তিনি। এরপর ইনিংসের রাশ ধরেন কুইন্টন ডিকক ও সূর্যকুমার যাদব। শারজার ছোট মাঠে আক্রমণাত্বক মাঠে ভঙ্গিতে ব্যাট করতে থাকেন তারা। কিন্তু ষষ্ঠ ওভারে সিদ্ধার্থ কললের বলে আউট হন সূর্যকুমার যাদব। তিনি করেন ২৭ রান। এরপর ক্রিজে আসেন ইশান কিষাণ। দায়িত্ব সহকারে দলের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান কুইন্টন ডিককের সঙ্গে।

প্রথম পাওয়ার প্লে-তে দুটি উইকেট পড়লেও দমে যাননি ডিকক। একদিক থেকে আক্রমণাত্বক ভঙ্গিতে ব্যাটিং চালিয়ে যা তিনি। তাকে যোগ্য সঙ্গত দেন তরুণ ইশান কিষাণ। তৃতীয় উইকেট অর্ধশতরানের পার্টনারশিপও করেন তারা। প্রয়োজন মত অ্যাটাকিং শটও খেললেন ইশান কিষাণ ও ডিকক।  এরই মধ্যে নিজের হাফ সেঞ্চুরিও পূরণ করে ফেলেন ডিকক। মাত্র ৩২ বলে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন প্রোটিয়া তারকা। তবে ১৪ তম ওভারে রাশিদ খানের বলে আউট হন ডিকক। ৩৯ বললে ৬৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ৪টি চার ও ৬টি ছয় মারেন ডিকক। ১৪ ওভার শেষে মুম্বইয়ের স্কোর দাঁড়ায় ১৩৪ রানে ৩ উইকেট। এরপর ক্রিজে আসেন হার্দিক পান্ডিয়া। এসেই আক্রমণাত্বক শট খেলা শুরু করেন তিনি। তবে ১৫ তম ওভারের শেষ বললে সন্দীপ শর্মার বললে আউট হন ইশান কিষাণ। ৩১ রান করেন তিনি। ১৫ ওভার শেষে মুম্বইয়ের স্কোর দাঁড়ায় ১৪৭ রানে ৪ উইকেট।

এরপর ক্রিজে আসেন কায়রন পোলার্ড। এসেই দ্রুত গতিতে রান তেলার চেষ্টা করেন হার্দিক ও পোলার্ড জুটি। তবে ১৬ ও ১৭ তম ওভারে আঁটোসাটো বোলিং করে সানরাইজার্স। ২ ওভারে আসে মাত্র ১২ রান। ১৮ তম ওভারে রানের গতিবেগ বাড়ায় হার্দিক ও পোলার্ড। সন্দীপ শর্মার ওভারে আসে ১৫ রান। নটরাজনের ১৯ তম ওভারে আসে ১৩ রান। ২০ তম ওভারে পঞ্চম উইকেট পড়ে মুম্বইয়ের। সিদ্ধার্থ কলের বলে বোল্ড হয়ে যান হার্দিক পান্ডিয়া। তিনি করেন ২৮ রান। ক্রুণাল পান্ডিয়া ৪ বলে ২০ রানের ছোট কিন্ত কার্যকরী ইনিংস খেলেন। ১৩ বলে ২৫ রানে নট আউট থাকেন পোলার্ড। ২০ ওভার শেষে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স করে ২০৮ রান। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের টার্গেট ২০৯ রান।