দ্বিতীয় ম্যাচে চস হারলেও, বল হাতে দুরন্ত পারফরমেন্স কেকেআরের। সানরাইজার্স হায়দরাবাদেকে আটকে রাখল মাত্র ১৪২ রানে। হায়দরবাদের হয়ে অর্ধশতরান করেন মণীশ পাণ্ডে। এদিন টসে জিতে ব্য়াটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। গত ম্য়াচের ভুল ত্রুটি শুধরে আঁটোসাটো বোলিং কেন কেকেআর বোলাররা। রক্ষাণত্বক ভঙ্গিতে ব্যাট শুরু করেন হায়দরাবাদের দুই ওপেনার।  মুম্বই ম্যাচে খারাপ পারফর্ম করলেও, সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে দুরন্ত বোলিং করেন প্যাট কামিন্স। যার ফল স্বরূপ চতুর্থ ওভারে জনি বেয়ারস্টো বোল্ড করেন কামিন্স। ২৪ রানে প্রথম প্রথম উইকেট পড়ে হায়দরাবাদের। বেয়ারস্টো করেন ৫ রান। প্রথম পাওয়ার প্লে-র শেষে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের স্কোর দাঁড়ায় ৬ ওভারে ৪০ রানে এক উইকেট।

এরপর কিছুটা ইনিংসের রাশ ধরেন ডেভিড ওয়ার্নার ও মণীশ পাণ্ডে। যদিও সটিক লাইন লেন্থে বোলিং করে যায় কেকেআর বোলাররা। যদিও কয়েকটি আক্রমণাত্বক শট খেলেন মণীশ পাণ্ডে ও ডেভিড ওয়ার্নার। কিন্তু সেই পার্টনারশিপ বেশিক্ষণ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেননি তারা। দশম ওভারে তরুণ বরুণ চক্রবর্তীর বলে আউট হন ডেভিড ওয়ার্নার। তিনি করেন ৩০ বলে ৩৬ রান। ১০ ওভার শেষে সানরাইজার্সের স্কোর দাঁড়ায় ৬১ রানে ২ উইকেট।  তারপর ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান  ঋদ্ধিমান সাহা ও মণীশ পাণ্ডে। বেশ কিছু দুরন্ক শট খেলেন মণীশ পাণ্ডে। ১৫ ওভার শেষে হায়দরবাদের স্কোর দাঁড়ায়  ৯৯ রানে ২ উইকেট। 

১৫ ওভারের পর থেকে রানের গতিবেগ কিছুটা বাড়ায় সানরাইজার্স। ১৬ তম ওভারে আসে ১১ রান। স্কোর দাঁড়ায় ১১০। ১৭ তম ওভারে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন মণীশ পাণ্ডে। বল খেলেন ৩৫টি। ১৭ ওভার শেষে হায়দরাবাদের স্কোর হয় ১১৮। ১৮ তম ওভারে রাসলের বলে শেষ হয় মণীশ পাণ্ডের ইনিংস। ৫১ রান করে আউট হন তিনি। ১৯ তম ওভারের শেষে এসরএইচের স্কোর দাঁড়ায় ১৩৩ রানে ৩ উইকেট। শেষ ওভারে রান আউট হন ঋদ্ধিমান সাহা। ৩০ রান করেন তিনি। ২০ ওভার শেষে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের স্কোর দাঁড়ায় ১৪২। কেকেআরের টার্গেট ১৪৩ রান।