সামনেই দুর্গাপুজো। আর তার আগেই ক্লাবগুলিতে শুরু হয়ে গিয়েছে সাজো সাজো রব। সেরার লড়াইয়ে কোন প্যান্ডেল এগিয়ে থাকবে এবং দর্শকদের বেশি মন কাড়বে সে চিন্তায় ব্যস্ত সমস্ত পুজো কমিটিগুলিই। আবারও একটি নতুন চিন্তাভাবনা নিয়ে আসতে চলেছে সকলের পরিচিত  সন্তোষপুর লেক পল্লী। এবছর ৬২ তম বর্ষে পদার্পণ করতে চলেছে তারা। 

৬২ তম বর্ষে সন্তোষপুর লেকপল্লীর নতুন ভাবনা হল গ্লোবাল ওয়ার্মিং বা বিশ্ব উষ্ণায়ন। উষ্ণায়ন নিয়ে নানা ক্ষেত্রে নানা সচেতনমূলক প্রচার দেখেছি আমরা। কারণ বিশ্ব উষ্ণায়নের ভয়ঙ্কর ফল ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে আমাদের দিকে। তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে গোটা পৃথিবী। বহু সচেতনমূলক কাজের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে এ ব্যাপারে জানানো হলেও ঠিক কতটা প্রভাব ফেলেছে তা মানুষের মনে বা ঠিক কতটা সচেতন হয়েছেন মানুষ তা বলা কঠিন। তবে বিশ্বকে উষ্ণায়নের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য যে সচেতনতামূলক কর্মসূচি চলছে তাকে একধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে চলেছে এ বছর সন্তোষপুর লেকপল্লী। বিশ্ব উষ্ণায়ন আসলে কী ,এর ফলাফল  কী হতে পারে সে ব্যাপারে মানুষকে সচেতন করার জন্যই সন্তোষপুর লেকপল্লীর এই চিন্তা ভাবনা। বিশ্ব উষ্ণায়নের বিষয়ে সাধারণ মানুষকে আরও বেশি সচেতন করবে এই প্যান্ডেল। এই চিন্তা-ভাবনা নিয়েই এগিয়ে চলেছে সন্তোষপুর লেকপল্লী। 

তাদের গত বছরের প্যান্ডেলেও এরকমই একটা নতুন চিন্তাভাবনা ছিল। তাদের গত বছরের সমস্ত প্যান্ডেলটাই ছিল হলুদের তৈরি। সেক্ষেত্রে তাদের চিন্তাভাবনা ছিল সমস্ত শুভু কাজে লাগে হলুদ। আর দেবীর আরাধনা যখন অশুভ শক্তি শেষ করে শুভ শক্তির সূচনা সেখানে হলুদের থেকে শুভ কিছু হতে পারে না। তাই পুরোপুরি হলুদ দিয়েই তৈরি হয়েছিল তাদের প্যান্ডেল। তবে চিন্তাভাবনা ভালো হলেও দর্শকদের কাছে বেশি জনপ্রিয়তা পায়নি এই প্যান্ডেল। তাই এ বছর আবার নতুন সাজে নতুন চিন্তায় সন্তোষপুর লেকপল্লী। 

লেক ডব্লু রোড, লেক টেরেস, সন্তোষপুর, কলকাতা, ৭০০০৭৫ তে রয়েছে এই ক্লাবটি। এ বছর তাদের চিন্তাভাবনা কতটা সফলতা পাবে সেটাই দেখার।