প্রশান্ত কিশোর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের পরিত্রাহি মধুসূদন সময়ে ত্রাতা চাণক্যের মতো অবতীর্ণ হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গে এই ব্যক্তি। লোকসভা ভোটের সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল থেকেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ধীরে ধীরে বহু পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের। ভোট মিটেছে। রাজ্যে নৈরাজ্যের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বারবার। এই চাণক্যের সৌজন্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শরীরী ভাষা বদলে গিয়েছে। ডাক্তারদের তুমুল বিক্ষোভ কেউ প্রশমিত করা গিয়েছে। এবার নতুন লক্ষ্যে এগোচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর।

গত বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এক ঘণ্টা বৈঠক করেন প্রশান্ত কিশোর। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
বৈঠকে ঠিক কী কথা হয়েছে সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনও বিবৃতি না পাওয়া গেলেও ২০২১ বিধানসভা ভোটকে মাথায় রেখেই ছক সাজাচ্ছেন প্রশান্ত। সূত্রের খবর, রাজনীতিতে এক লক্ষ পেশাদার প্রশিক্ষিত যুবককে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই নিয়ে আসবেন প্রশান্ত। তার সংস্থা আই পাক রাজনীতিতে আসার জন্য জরুরি ট্রেনিং দেবে তরুণ তুর্কিদের।

প্রশান্তর এই মডেল ওয়াইআইপি বা ইয়ুথ ইন পলিটিক্স অতীতে বিভিন্ন রাজ্যের সাফল্য অর্জন করেছে। জগমোহন রেড্ডির হাতে-কলমে সুফল পেয়েছেন প্রশান্তর এই টোটকার। এবার পশ্চিমবঙ্গে ও কর্মঠ শিক্ষিত যুবকদের এই প্রকল্পের আওতায় আনার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই আবেদন পত্র আহ্বান ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। খুব সহজেই অনুমান করা যায়, এই ঘুঁটি কেন সাজাচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর। অন্য চালগুলির মতো ভোটগুরুর এই চালও কাজে লেগে যায়, শাসক দলের মুখে হাসি ফুটবে বইকি।